বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে বিদেশিদের দাপট চলে আসছে যুগ যুগ ধরে। এক সময়ের জমজমাট ঢাকা লিগ এবং ২০০৭ সাল থেকে হয়ে আসা পেশাদার ফুটবল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে বেশিরভাগ ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে ভারত। অধিনায়ক রহিত শর্মা ফিল্ডিং নিয়েছেন। চলমান ওয়ানডে বিশ্বকাপে এখনো পর্যন্ত দুই অপরাজিত দল ভারত এবং নিউজিল্যান্ড। স্বাগতিকদের মত টুর্নামেন্টের প্রথম চার ম্যাচ জিতে উড়ন্ত
ওয়াংখেড়েতে টস জিতে বোলিং নেওয়ার জন্য আফসোস করতে পারে বিশ্বকাপের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। ব্যাটিং উইকেটে আগে বোলিং নেওয়ার সিদ্ধান্তটা যে বুমেরাং হয়েছে ইংরেজদের জন্য, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
হেনরি ক্লেসেনের ঝড়ো সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৯৯ রানের পাহাড় গড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৬৭ বলে ১২টি চার আর ৪টি ছক্কার সাহায্যে দলীয় সর্বোচ্চ ১০৯ রান করেন ক্লেসেন। এছাড়া ৪২ বলে ৩টি
চলতি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দাপুটে জয় পেয়েছে নেদারল্যান্ডস, যা বিশ্বমঞ্চে অন্যতম অঘটনই বটে। তবে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ৮২ রানেই পাঁচ উইকেট খুইয়ে বসেছিল তারা। এবার আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিজেদের চতুর্থ
দিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে শ্রীলঙ্কা ও নেদারল্যান্ডস। ডাচরা দ্বিতীয় জয়ের খোঁজে থাকলেও শ্রীলঙ্কা আছে প্রথম জয়ের সন্ধানে। আসরে তিন ম্যাচ খেলেও এখনো পয়েন্টের খাতা খুলতে পারেনি লঙ্কানরা। অন্যদিকে দক্ষিণ
৪৫ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার রান ছিল ৫ উইকেটে ৩৪০। মনে হচ্ছিল, সংগ্রহটা চারশোর আশপাশে চলে যাবে। সেটা হয়নি। শেষ ৫ ওভারে যে দুর্দান্ত বোলিং করেছে পাকিস্তান! অস্ট্রেলিয়া শেষ ৫ ওভারে ৪টি
টানা দুই জয়ে বিশ্বকাপ শুরু করলেও ভারতের কাছে হেরে ব্যাকফুটে চলে গেছে পাকিস্তান। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বিদের বিপক্ষে পাত্তাই পায়নি ম্যান ইন গ্রিনরা। হারতে হয়েছে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে। এমন গো-হারা হারের পর
বিরাট কোহলি যখন ৯৭ রানে অপরাজিত, ভারতের জয়ের জন্য দরকার মাত্র ২ রান। ম্যাচ তো ভারতের পক্ষে চলে গেছে অনেক আগেই। পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তখন পিনপতন নীরবতা, কোহলি কি
যখন ক্রিজে এসেছিলেন, ১৭৯ রানে ৫ উইকেট নেই বাংলাদেশের। সেখান থেকে দেখেশুনে এগোলেন। শেষের দিকে তো ব্যাট হাতে ঝড়ই তুললেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩৬ বলে ৪৬ রানের ইনিংসে হাঁকালেন তিনটি করে