আরও একবার ব্যাটিং ব্যর্থতার গল্প। পাকিস্তানি বোলাররা যে আহামরি কিছু করেছেন, তেমন না। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটাররা তো ব্যাটিংটাই ভুলে গেছেন! মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ফিফটির পরও তাই ৪৫.১ ওভারে ২০৪ রানেই গুটিয়ে গেলো বাংলাদেশের ইনিংস। অর্থাৎ জিততে হলে পাকিস্তানকে করতে হবে ২০৫।
এর আগে কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে পাকিস্তানের বিপক্ষে টসভাগ্য সহায় হয় বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।
ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই পাকিস্তানি পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদির তোপে পড়েন বাংলাদেশের টপ অর্ডারের ব্যাটাররা। প্রথম দুই ওভারেই তিনি ফিরিয়ে দেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম এবং ওয়ান ডাউনে নামা নাজমুল হোসেন শান্তকে। ৬ষ্ঠ ওভারে মুশফিককে ফেরান হারিস রউফ।
৬ রানেই টপ অর্ডারের দুই ব্যাটারকে হারিয়ে রীতিমত ধুঁকতে শুরু করে টাইগাররা। প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই ভেতরে ঢুকে যাওয়া আফ্রিদির বলটিকে ঠেকাতে পারলেন না তানজিদ তামিম। বল গিয়ে আঘাত করে প্যাডে। জোরালো আবেদন উঠতেই আঙ্গুল তুলে দেন আম্পায়ার।
লিটনের সঙ্গে পরামর্শ করে রিভিউ নেন তানজিদ তামিম। কিন্তু লাভ হলো না। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই বহাল থাকলো। ৫ বলে কোনো রান না করেই ফিরে যান ‘ছোট তামিম’।
তৃতীয় ওভারের চতুর্থ বলে আবারও আফ্রিদির স্ট্রাইক। স্লোয়ার বলটিকে পেয়েই ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে শট খেলেন শান্ত। যেন পুরোপুরি পাতা ফাঁদে পা দিলেন তিনি। উসামা মির ঝাঁপিয়ে পড়ে ক্যাচটি লুফে নিলেন। ৩ বলে ৪ রান করে আউট হন শান্ত।
৬ষ্ঠ ওভারে ফিরে যান ব্যাটিং ভরসা মুশফিকুর রহিমও। হারিস রউফের অফ স্ট্যাম্পের ওপর রাখা বলটিকে ডিফেন্স করতে গিয়েও ব্যাট ছোঁয়াতে চাইলেন না মুশফিক। কিন্তু বল তার ব্যাটের কিনারা চুমু দিয়ে গিয়ে জমা পড়ে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে। ৮ বলে ৫ রান করে ফিরে যান মুশফিক। ২৩ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।