সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে ইরান। তেহরানের দাবি, আঞ্চলিক দেশগুলো এখন উপলব্ধি করছে যে নিরাপত্তা কোনো পণ্য নয়, যা কারও কাছ থেকে কিনে নেওয়া যায়।
সোমবার (১০ আগস্ট) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বলেন, গত সপ্তাহে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি এ অঞ্চলের দেশগুলোর দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের একটি লক্ষণ।
তিনি বলেন, ‘এই অঞ্চলের দেশগুলো উপলব্ধি করেছে যে নিরাপত্তা কোনো পণ্য নয়। এটি কোনো ভুয়া দালালের কাছ থেকে কেনার মতো বিষয় নয়।’
তবে চুক্তিটি ইরানকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে-এমন আশঙ্কার কোনো কারণ নেই বলেও মন্তব্য করেন বাঘেই।
তিনি বলেন, ‘এই অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা যেকোনো পরিকল্পনা নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং জায়নবাদী শত্রু ও তার মিত্রদের দ্বারা সৃষ্ট অস্থিতিশীলতা ও অপব্যবহার প্রতিরোধে সাহায্য করার সম্ভাবনা রাখে।’
এর আগে শুক্রবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ‘মক্কা চুক্তি’তে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।