টুর্নামেন্টের নাম দেয়া হয়েছে বাংলাদেশ ওমেন্স সুপার লিগ অর্থাৎ ডব্লিউএসএল। টুর্নামেন্টটির আয়োজক হিসেবে রয়েছে স্বত্ব পাওয়া প্রতিষ্ঠান কে-স্পোর্টস। রোববার রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে জমকালো আয়োজনে লিগের লোগো উন্মোচিত হয়েছে।
লিগে মোট ছয়টি দল থাকবে। ১৯/২৪ টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। দুটি ভেন্যুর পরিকল্পনা থাকলেও সিলেটকেই মূলত প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। কারণ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম এখনও সংস্কারাধীন
প্রতি দলে পাঁচ জন করে বিদেশি খেলোয়াড় খেলানোর সুযোগ থাকবে। বিদেশি ফুটবলারের মধ্যেও রয়েছেন বিভাজন। দক্ষিণ এশিয়ান ছাড়া অন্য যে কোনো দেশের তিনজন ফুটবলার নিবন্ধন করাতে পারবে দলগুলো। আর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে দুইজন নিবন্ধনের সুযোগ রয়েছে।
কে স্পোর্টস দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নানা ক্ষেত্রে পৃষ্ঠপোষকতা করছে। নারী ফুটবলে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের উদ্যোগ নেয়ার কারণ সম্পর্কে ফাহাদ বলেন, ‘নারীরা ফুটবলকে বিশেষ উচ্চতায় নিয়েছে। এমন একটি আয়োজনের এটাই উত্তম সময়।’
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন, ‘কে স্পোর্টসের সিইও এবং মহিলা ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান দুইজনই আমার কাছে এই ব্যাপারে আলাপ করেছিলেন। দুইটি কারণে আমি এই লিগটি ইতিবাচক হিসেবে দেখছি। মেয়েরা আর্থিকভাবে লাভবান হবে এবং আরো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে।’
সাফ চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক সাবিনা খাতুনও উন্মুখ এই লিগের জন্য, ‘আমরা সবাই অধীর আগ্রহে রয়েছি এই লিগ নিয়ে। শুধু আমাদের ফুটবলাররারই নন, এরইমধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার অনেকেই জেনেছে। তারাও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।’