রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন
Title :
ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণে সরকারকে ভূমিকা নিতে হবে: সংসদে পার্থ বিএনপি জুলাই সনদকে কলঙ্কিত করেছে: মামুনুল হক হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা, বাড়ছে উত্তেজনা ২০৩০ বিশ্বকাপে বাবার সঙ্গে খেলতে চান রোনালদোর ছেলে ফিফা যদি সত্যিই চায় আমরা বিদায় নিই, তাহলে সেটাই হোক: ইরানের ফুটবলার বাংলাদেশ ও চীন অর্থনৈতিক করিডোর বিবেচনায় রয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্জেন্টিনাকে হারানো অসম্ভব নয়: কেপ ভার্দে কোচ বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের ইতিহাসও মনে রাখতে হবে: বিরোধী দলকে জয়নুল আবদিন এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর ফতোয়ার জন্য এখন আর মাদ্রাসায় যেতে হয় না, সংসদেই দেওয়া হয়: জামায়াতের এমপি

২০২৫ সালে এক লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১২৭ Time View

ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম বছরেই অভিবাসন ও ভিসা নীতিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। ২০২৫ সালে এক লাখেরও বেশি বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি।

সোমবার মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রকাশিত আর্টিকেল থেকে এসব তথ্য জানা যায়। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ট্রাম্প প্রশাসনের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির কঠোর বাস্তবায়নেরই প্রতিফলন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দাবি, বাতিল হওয়া ভিসার বড় একটি অংশ পর্যটক ও ব্যবসায়ী শ্রেণির, যারা ভিসার নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন। পাশাপাশি প্রায় আট হাজার শিক্ষার্থী এবং দুই হাজার ৫০০ বিশেষায়িত দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীর ভিসাও বাতিল করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, ভিসা বাতিল হওয়া অনেকের বিরুদ্ধেই মার্কিন আইন অনুযায়ী অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

পররাষ্ট্র দপ্তরের উপ-মুখপাত্র টমি পিগট জানান, বিশেষায়িত কর্মীদের ক্ষেত্রে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, মারামারি ও চুরির মতো অপরাধ ভিসা বাতিলের প্রধান কারণ। অন্যদিকে শিক্ষার্থী ও অন্যান্য বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে মাদক পাচার এবং শিশু নির্যাতনের মতো গুরুতর অভিযোগও সামনে এসেছে। স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, জননিরাপত্তা কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ কাউকেই যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ দেওয়া হবে না।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে অবস্থানরত প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি বৈধ ভিসাধারী বিদেশি নাগরিকের তথ্য পুনরায় যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। এ লক্ষ্যে একটি নতুন ‘কন্টিনিউয়াস ভেটিং সেন্টার’ গঠন করা হয়েছে, যা সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাবে। প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়া একটি চলমান ব্যবস্থা হিসেবে ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নতুন ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রেও আরোপ করা হয়েছে কঠোর শর্ত। এখন আবেদনকারীর আর্থিক সক্ষমতা, ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা এবং স্বাস্থ্যগত অবস্থা কঠোরভাবে যাচাই করা হচ্ছে। ‘পাবলিক চার্জ’ নীতির আওতায় যদি কোনো আবেদনকারীকে ভবিষ্যতে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল করা হচ্ছে। ফলে বয়স্ক কিংবা শারীরিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়া আগের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়েছে।

এর আগে গত নভেম্বরেই মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল, ট্রাম্পের শপথগ্রহণের পর থেকে প্রায় ৮০ হাজার অ-অভিবাসী ভিসা বাতিল করা হয়েছে। এসব অপরাধের মধ্যে ছিল মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, হামলা ও চুরি।

২০২৪ সালের নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি ‘আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অপরাধী বহিষ্কার কর্মসূচি’ পরিচালনা করবেন। তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category