ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজবাড়ী জেলার দুটি সংসদীয় আসন রাজবাড়ী-১ ও রাজবাড়ী-২ এর প্রতিদ্বন্দ্বী ১২ জন প্রার্থীর মাঝে নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।বুধবারসকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে রাজবাড়ী-১ ও রাজবাড়ী-২ সংসদীয় আসনের ১২ জন প্রার্থীর মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের হাতে নিজ নিজ প্রতীক তুলে দেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
রাজবাড়ী-১ আসন: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের পক্ষে তাঁর প্রতিনিধি ধানের শীষ প্রতীক গ্রহণ করেন। জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক। জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান বাচ্চু বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে লাঙ্গল প্রতীক এবং জাকের পার্টির মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আলী বিশ্বাস পেয়েছেন গোলাপ ফুল প্রতীক।
রাজবাড়ী-২ আসন: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী হারুন অর রশিদ হারুন পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী জামিল হিযাজী পেয়েছেন শাপলা কলি প্রতীক। স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসিরুল হক সাবু পেয়েছেন কলস প্রতীক। গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী জাহিদ শেখ পেয়েছেন ট্রাক প্রতীক। সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী আব্দুল মালেক মণ্ডল পেয়েছেন ছড়ি প্রতীক। জাতীয় পার্টির প্রার্থী শফিউল আজম খান পেয়েছেন লাঙ্গল প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মালেক পেয়েছেন হাতপাখা প্রতীক এবং খেলাফত মজলিশের প্রার্থী কাজী মিনহাজুল আলম পেয়েছেন দেয়াল ঘড়ি প্রতীক।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার জানান, রাজবাড়ী-১ আসনে চারজন এবং রাজবাড়ী-২ আসনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ১২ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনে আগামীকাল থেকে প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রতীক নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।
রাজবাড়ী-২ সংসদীয় আসন (পাংশা, বালিয়াকান্দি ও কালুখালী) থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহেল মোল্লা ওরফে সোহেল রানা রাজের প্রার্থিতা মহামান্য হাইকোর্টের বিশেষ আদেশে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। রিট পিটিশন নং ৭৫৯ এর শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন। ফলে তার নির্বাচনে অংশগ্রহণসংক্রান্ত সব আইনি জটিলতার অবসান ঘটে বলে জানান স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহেল মোল্লা।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার জানান, এ বিষয়ে আদালত থেকে তার কাছে এখনো কোনো নির্দেশনা আসেনি। আসলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।