জনগণের ওপর শতভাগ আস্থা প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মা-বোনেরাও আগামী নির্বাচনে জামায়াতকে বেছে নেবে।
সোমবার রাজধানীর বসুন্ধরায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
ইইউ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, আগামী নির্বাচনে দেশের জনগণ সুশাসন নিশ্চিত করবে। আমরা চাই নির্বাচনটা যেন পুরোপুরি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়। যদি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ অন্য কোনো দলকে পছন্দ করে, তবে আমরা তাদেরও সহযোগিতা করব। দুর্নীতিমুক্ত সমাজ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় সংস্কারের পক্ষে যারা থাকবে, জামায়াত সবসময় তাদের পাশে থাকবে।
তবে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, শঙ্কা থাকলেও আমরা বিষয়টি প্রথমে নির্বাচন কমিশনকে জানাব। সেখান থেকে সমাধান না পেলে দেশবাসীকে বিস্তারিত জানানো হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এবারের নির্বাচন যদি জনগণের হাতছাড়া হয়ে যায়, তবে দেশবাসী আর কবে ভোটাধিকার ফিরে পাবে তা অনিশ্চিত।
এ সময় গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের গণমাধ্যমগুলো একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে, যা জুলাই অভ্যুত্থানের সময়ও দেখা গিয়েছিল।
তিনি বলেন, আমরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা চাই। কিন্তু গণমাধ্যম যদি নিজেই পরাধীনতার শৃঙ্খল গলায় পরে, তবে তা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা হবে। প্রশাসন ও গণমাধ্যম যে যেই ভূমিকা রাখছে, জনগণ সবই মনে রাখছে।
বৈদেশিক সম্পর্কের বিষয়ে তিনি জানান, নির্বাচনে জয়ী হলে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্ব ও প্রতিবেশীসুলভ আচরণ বজায় রাখা হবে। এছাড়া জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতার বিষয়টি চূড়ান্ত ও দৃশ্যমান হবে।