সরকারের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল ইসলাম হিরু। তিনি বলেন, সরকার যে ঘরগুলো দিচ্ছে তা অবশ্যই ভালো কাজ। এতে করে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধারা তাদের মাথাগোঁজার ঠাঁই পাবেন এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে সুখে ও শান্তিতে বসবাস করতে পারবেন।
‘বীর নিবাস’ পেয়ে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনমান উন্নত হবে বলে জানালেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার। তিনি বলেন, ‘জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে যাওয়া বীর যোদ্ধাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে শেরপুর জেলার অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য একটি করে পাকা বাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর উপহার দেয়া ঘর পেয়ে তাদের জীবনমান বদলে যাবে।’
অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় জেলায় মোট ১৯৬টি বাড়ি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ৯৭টি বাড়ি উপকারভোগীদের কাছে হস্তান্তর ও ৯৮টি বাড়ির নির্মাণকাজ চলমান আছে। আর প্রতিটি বাড়ি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ লাখ ১০ হাজার টাকা।