বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন বলা হয় সাকিবকে। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল এই ক্রিকেটারের বিচরণ ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই। ২০০৬ সালে ওয়ানডে অভিষেক হওয়ার পর ১৭ বছর ধরে খেলে আসছেন লাল-সবুজ জার্সিতে। বিভিন্ন সময়ে দলকে এনে দিয়েছেন আনন্দের জোয়ারে ভাসার উপলক্ষ। আজ ৩৬ বছর বয়সে পা দিলেন বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার।
কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা মাশরুর রেজা নিজে ছিলেন ফুটবল ভক্ত, খেলতেন জেলার বিভিন্ন লিগে। তবে ছেলে সাকিব ছিলেন ক্রিকেটপাগল। গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় খেলতে গিয়ে প্রথমবার নজরে আসেন এক আম্পায়ারের। সেখান থেকে তাকে নিয়ে আসা হয় মাগুরার ইসলামপুর পাড়া ক্লাবে। ক্লাবে খেলার শুরুতেই চমকে দেন সাকিব। জায়গা পান বিকেএসপিতে।
২০০৬ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হয়। একই বছর সাকিবের অভিষেক হয় টি-টোয়েন্টিতেও। প্রথম থেকেই নিজেকে পূর্ণ অলরাউন্ডার হিসেবে চেনানো সাকিব ২০০৯ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ওয়ানডে অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠে আসেন।
ওয়ানডের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে লাল বলের টেস্ট ক্রিকেটেও অলরাউন্ডারের শীর্ষস্থান দখল করেন সাকিব। এরপর টি-টোয়েন্টিতে। ২০১৫ সালে বিশ্বের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে তিন ফরম্যাটেই শীর্ষ অলরাউন্ডার হওয়ার কীর্তি গড়েন সাকিব।
১৭ বছরের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২৩০টি ম্যাচ খেলেছেন সাকিব। তাতে ৩৭ গড়ে তার রান ৭০৮৬ আর বল হাতে উইকেট ৩০১টি। টেস্টে ৬৫ ম্যাচে তার রান ৪৩৬৫। এই ফরম্যাটে সাকিবের উইকেট ২৩১টি। ফরম্যাটটিতে এক ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন ১৯ বার।