ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানা যায়, নিধি ও শিখর ঠিক করেন সব বাদ দিয়ে সমুচার ব্যবসা শুরু করবেন। নিজেদের ব্যবসা দাঁড় করাতে উচ্চ বেতনের চাকরি ছাড়েন, এমনকি বিক্রি করেন একমাত্র বাড়িটিও। নিধির বছরে ৩০ লাখ টাকার বেতনের চাকরি ছেড়ে ‘সমুচা সিং’ নামে সমুচার দোকানে খোলাকে শুরুতে অনেকে বলতেন পাগলামি ও ভুল সিদ্ধান্ত।
শিখর জানান, তিনি ছিলেন একজন বিজ্ঞানী ও তার স্ত্রী নিধি কাজ করতেন নামকরা এক ওষুধ কোম্পানিতে। পরিবারকে খুশি করতে চাকরি করলেও মনের ভেতরে ছিল অন্য এক স্বপ্ন। শিখরের স্বপ্ন ছিল ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সামনে সমুচা বিক্রি করা। সেখানকার ব্যাংক কর্মকর্তাদের রাস্তার খাবারের প্রতি আগ্রহ তাকে এ সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহী করেছিল।
এদিকে এরমধ্যে ২০১৫ সালে এক পথশিশু যখন রাস্তার এক খাবারের দোকানের সামনে সামান্য একটি সমুচার জন্য হাত বাড়িয়ে কাঁদছিল- এ দৃশ্য শিখরের মনে দাগ কেটে ছিল বলেও জানান তিনি। কাজেই এ দম্পতি চাকরি ছেড়ে দিয়ে সমুচা বিক্রি শুরু করেন।
আট বছরে সমগ্র ভারতে সমুচা সিং এর আউটলেট বেড়ে হয়েছে ৪০টি। মূলত বাটার চিকেন সমুচা ও পনির সমুচা বিক্রি করলেও এর পাশাপাশি পানি পুরি, দই পুরি, মাসাল পুরি, বারা পাও, জল জিরা, গোলাপজাম ও হালুয়াও বিক্রি করেন তারা। ভবিষ্যতে নিজেদের ব্যবসা আরও বড় করতে চান এ দম্পতি। বর্তমানে এ দম্পতির বার্ষিক আয় ৪৫ কোটি টাকা।