এরই প্রেক্ষিতে আগাম নির্বাচনের দাবি জানিয়ে সম্প্রতি আদালতে একটি পিটিশন দাখিল করে পিটিআই। সেই পিটিশনের জবাবে মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) রায় দেয় পাক সুপ্রিম কোর্ট।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখোয়ায় প্রাদেশিক পার্লামেন্ট ভেঙে দেয় পিটিআই। পাকিস্তানে ঐতিহাসিকভাবে জাতীয় ও প্রাদেশিক নির্বাচন একসঙ্গে হয়।
তবে সংবিধানে পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বিধান রয়েছে। সরকার ও নির্বাচন কমিশন সংবিধানের এই বিধি মানতে বাধ্য।
কিন্তু অর্থনৈতিক সংকটের দোহাই দিয়ে নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনীয় তহবিল দিতে অস্বীকার করছে সরকার। অন্যদিকে গত ফেব্রুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্ট ওই দুই প্রদেশে দ্রুত নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার নির্দেশ দিলেও তা ঘোষণা করতে অস্বীকৃতি জানায় পাক নির্বাচন কমিশন।
অবশেষে নির্বাচন কমিশন গত মাসে এক ঘোষণায় জানায়, ৩০ এপ্রিল পাঞ্জাব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু এরপরই সেই ঘোষণা প্রত্যাহার করে জানায়, আগামী ৮ অক্টোবর নির্বাচন হবে। ফলে বাধ্য হয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয় বিরোধী দল পিটিআই।
পিটিআই’র পিটিশনের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, পাঞ্জাব নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে নির্বাচন কমিশন আদালতের নির্দেশ অমান্য করেছে। সর্বোচ্চ আদালতের কথায়, ‘সংবিধান নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন স্থগিত করার কর্তৃত্ব দেয়নি।’
আদালত আগামী ১৪ মে পাঞ্জাব নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশনার পাশাপাশি আগামী সপ্তাহের মধ্যে (১০ এপ্রিল) নির্বাচনের জন্য ২০ বিলিয়ন রুপি অর্থছাড় করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে।
একই সঙ্গে এই অর্থ বুঝে পেয়েছে কিনা সে বিষয়ে ১১ এপ্রিলের মধ্যে আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।