লুকাকুও গোল পান ব্রুইনের সহায়তায়। তাতে পরপর দুটি গোলে অ্যাসিস্ট করেন ব্রুইন। খেলার শুরুতেই দুই গোল হজম করে চাপে পড়ে স্বাগকিত জার্মানি। আর এগিয়ে থেকে আক্রমণে গতি বাড়ায় বেলজিয়াম।
প্রথমার্ধের বিরতির আগ মুহূর্তে গোল করে জার্মানি। নিজেদের ডি-বক্সের মধ্যে হ্যান্ড বল করে বসেন লুকাকু। তাতে হলুদ কার্ড দেখতে হয় বেলজিয়াম তারকাকে। আর জরিমানা হিসেবে পেনাল্টি দেয়া হয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন নিকলাস ফুলক্রুগ। বিরতির আগে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-১।
বিরতি থেকে ফিরে আক্রমণে নামে জার্মানি। বেশ কয়েকটি আক্রমণ চললেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা মেলেনি। উল্টো ৭৮ মিনিটে তৃতীয় গোল পেয়ে যায় বেলজিয়াম। আগের দুটি গোলে সহায়তা করা কেভিন ডি ব্রুইন এবার নিজেই গোল করেন। ব্রুইনের গোলে সহায়তা করেন লিয়েন্দ্রো ট্রসার্ড।
সমতায় ফেরার পরিবর্তে গোল হজম করে আবারও ব্যাকেফুটে চলে যায় জার্মানি। যদিও ৮৭ মিনিটে কেভিন শেডের সহায়তার গোল করেন সার্জ গ্যানাব্রি। কিন্তু তাতে হার এড়ানো সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের ব্যবধানে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে জার্মানিকে।
১৯৫৪ সালের পরে এই প্রথম জার্মানদের হারাতে পারল বেলজিয়াম। সে সময়ে প্রীতি ম্যাচে তখনকার পশ্চিম জার্মানিকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল বেলজিয়াম।