শাহ ইমরান, কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ কুমিল্লায় পূর্ব শত্রুতা ও মাদক সেবনের ভিডিও ফাঁস করার জেরে কুমিল্লায় আওয়ামী লীগ নেতা এনামুলকে হত্যা করা হয়। হত্যার আগের দিন রাতে পরিকল্পনা অনুয়ায়ী ছুরি সংগ্রহ করা হয়েছিল। নামাজ শেষ করেই ফেরার পথে এনামুলকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
রোববার(২১/৫/২৩) সকাল ১১:৩০ এ বিষয়ে কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
কুমিল্লায় আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হত্যার প্রধান আসামি আমান ও সাঈদকে গ্রেপ্তারের পর আসামিদের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) আব্দুল মান্নান।
পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বলেন, শুক্রবার কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের আলেখারচর দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদের সামনে দুষ্কৃতকারীরা এনামুল হককে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল ওদুদ বাদী হয়ে গতকাল শনিবার ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি টিম ও কোতোয়ালি থানা-পুলিশের যৌথ অভিযানে কাজী নিজাম উদ্দিন এবং মো. জাকির হোসেনকে শনিবার রাতে খাগড়াছড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত আসামি আমান উল্ল্যাহর দেওয়া তথ্যমতে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার দত্তসার দিঘী এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সুইচ গিয়ারটি উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি থানার লৌহগং এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত এজাহারনামীয় ২ নম্বর আসামি কাজী আমান উল্লাহ ও ৩ নম্বর আসামি আবু সাঈদকে গতকাল শনিবার সকালে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামি কাজী আমান উল্ল্যাহ ও আবু সাঈদ আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক এর হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষভাবে অংশ গ্রহণ করে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,নঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসফাকুজ্জামান, মো. কামরান হোসেন, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেস বড়ুয়া, কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহাম্মদ সনজুর মোরশেদসহ অন্যরা।