ফ্রান্সে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন দেশটির সাধারণ মানুষ। এ অবস্থায় প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। এ পরিস্থিতির জন্য ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবকে দায়ী করা হচ্ছে।
সম্প্রতি এক জরিপে দেখা গেছে, দাম বাড়ায় বর্তমানে প্রতি ১০ জন ফরাসির মধ্যে ৮ জন তাদের খাদ্য কেনাকাটা পরিমাণ কমিয়ে এনেছেন। ৫৫ শতাংশ মানুষ অনেক পণ্যই কেনা বন্ধ করে দিয়েছেন।
আর দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ৪৪ শতাংশ তাদের খাদ্য তালিকা থেকে মাছ-মাংস বাদ দিয়ে অন্য কিছু কিনছেন। এ অবস্থায় স্থানীয়দের পাশাপাশি বিপাকে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও।
ফ্রান্স প্রবাসী এক বাংলাদেশি বলেন, বিদেশের মাটিতে সবাইকে অনেক হিসেব করে চলতে হয়। চাইলেও বাড়তি খরচ করা যায়না। কিন্তু এবার দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ায় অনেককেই হিমশিম খেতে হবে।
এদিকে দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যম জানায়, মার্চ মাসে খাদ্য উৎপাদক ও খুচরা বিক্রেতারা আলোচনা করে দাম ১০ শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়ার পর থেকেই দাম বাড়তে থাকে। যদিও রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবেই সব কিছুর দাম বেড়েছে বলে দাবি বিক্রেতাদের।
ফ্রান্সে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি রাজনৈতিক মাথা ব্যথার কারণও হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ পরিস্থিতির জন্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে দায়ী করেছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী।