প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূমধ্যসাগরজুড়ে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঢেউ ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) অভিবাসন সংক্রান্ত জরুরি অবস্থার ঘোষণা দিয়েছে ইতালির মন্ত্রিসভা। অভিবাসীদের আগমন এবং প্রত্যাবাসন কার্যক্রম আরও ভালোভাবে ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে রেকর্ড পরিমাণে বেড়েছে ইতালি অভিমুখে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের স্রোত। মূলত উন্নত জীবনের আশায় বিপদজনক এ পথ পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা কেবলই বাড়ছে। এতে প্রায়ই নৌকাডুবে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
আবার অনেককে উদ্ধার করে কোস্টগার্ড। আর এই পরিস্থিতিতে জরুরি অবস্থা জারি করেছে ইতালির জর্জিয়া মেলোনি সরকার। আগামী ছয় মাস এ জরুরি অবস্থা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে দেশেটির সমুদ্র ও নাগরিক সুরক্ষা মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি জরুরি অবস্থার আওতায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রাথমিকভাবে ব্যয় করা হবে ৫০ লাখ ইউরো।
এ বিষয়ে ইতালির সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হচ্ছে না। সমাধান নির্ভর করবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দ্বায়িত্বশীল হস্তক্ষেপের ওপর। জরুরি অবস্থা জারির এই পদক্ষেপটি নেয়ার ফলে, ইতালিতে থাকার অনুমতি দেয়া হয়নি এমন অভিবাসীদের আরও দ্রুত প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।
গত বছরের অক্টোবর থেকে ক্ষমতায় থাকা জর্জিয়া মেলোনির ডানপন্থি সরকার ইতালি অভিমুখে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঢল থামাতে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছে। তার পরও এ সংকট মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে দেশটি।