বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) ইউক্রেনের শীর্ষ স্থলবাহিনীর কমান্ডার কর্নেল জেনারেল আলেকজান্দর সাইরাসকি একথা জানিয়েছেন।
টেলিগ্রামে দেয়া এক বার্তায় সাইরাসকি বলেন, বাখমুতের দীর্ঘস্থায়ী ও রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে রাশিয়ার ভাড়াটে সেনা ভাগনার গ্রুপ এখন বাখমুত নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করছে। তাদেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ধীরে ধীরে তাদেরও আক্রমণের তেজ কমে আসছে। খুব শিগগির আমরা এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করব। এর আগে আমরা কিয়েভ, খারকিভ, বালাকলিয়া ও কুপিয়ানস্কেও তা-ই করেছি।
গত বছরের নভেম্বর মাসের পর থেকে যুদ্ধক্ষেত্রে বড় ধরনের অগ্রগতি পায়নি রাশিয়া। এরপর থেকে সেখানে নতুন করে সেনা পাঠিয়েছে মস্কো। সবশেষ বাখমুত ঘিরে ব্যাপক হামলা চালায় রুশ বাহিনী।
গত আগস্ট মাসের পর থেকে এ শহরের নিয়ন্ত্রণ পেতে মরিয়া রুশ বাহিনী একের পর এক হামলা চালিয়েও ইউক্রেন সেনাদের হটাতে ব্যর্থ হয়েছে। এ বছরের কোনো এক সময় পাল্টা আক্রমণের কথা বলে আসছেন ইউক্রেনের সেনারা। এ অবস্থায় পশ্চিমা মিত্রদের কাছ থেকে আরও ভারী অস্ত্র চেয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
এদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনে বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলেও তাকে গ্রেফতার করা হবে না বলে জানিয়েছে হাঙ্গেরি। গত শুক্রবার (১৭ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত পুতিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। ইউক্রেন থেকে শিশুদের বেআইনিভাবে রাশিয়ায় সরিয়ে নেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে পুতিনের বিরুদ্ধে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত এই দেশটি আইসিসির সদস্য হওয়ার পরও তারা এই পরোয়ানা মানতে আইনত বাধ্য নয় বলে জানিয়েছেন দেশটির ঊর্ধ্বতন এক সরকারি কর্মকর্তা।
আর রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, কোথাও সফরে গেলে পুতিনকে গ্রেফতার করার অর্থ হলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা। তবে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর রাশিয়ার বিরুদ্ধে হুমকি-ধামকির অভিযোগ এনে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে আইসিসি।