ইপিবির মাসিক পরিসংখ্যান প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সবচেয়ে বেশি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে অপ্রচলিত বাজারগুলোতে। এর মধ্যে ভারতে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৫০ শতাংশ, জাপানে ৪২ ও চীনে ১৫ শতাংশ।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ১৬ দশমিক ৬১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১১৫০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। যা গত ২০২১-২০২২ অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৯৮৭ কোটি ডলার।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান বাজারগুলোরর মধ্যে জার্মানিতে রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩৪৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে৷ চলতি ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে স্পেন এবং ফ্রান্সে যথাক্রমে ১৭ দশমিক ৬২ এবং ৩৩ দশমিক ৮ শতাংশ বৃ্দ্ধি পেয়ে ১৭০ কোটি ডলার এবং ১৪১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে পোল্যান্ডে রপ্তানি কমেছে ১৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি ২০২২-২০২৩ সালের জুলাই-ডিসেম্বর মাসে ৪২৭ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে, যার প্রবৃদ্ধি গত বছরের একই সময়েরে তুলনায় মাত্র ১ দশমিক ১১ শতাংশ। একই সময়ে যুক্তরাজ্য ও কানাডায় রপ্তানি যথাক্রমে ১১ দশমিক ৮৯ এবং ২৮ দশমিক ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২৩৯ কোটি ডলার এবং ৭৭ কোটি ৪১ লাখ ডলারের বেশি অঙ্কে পৌঁছে।
প্রচলিত বাজার ছাড়াও অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের মধ্যে ৩২ দশমিক ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩০৫ কোটি ডলার থেকে ৪০৪ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। অপ্রচলিত বাজারের মধ্যে জাপানে ৪২ দশমিক ৫৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৭৫ কোটি ৪৭ লাখ ডলারের বেশি অঙ্কে পৌঁছেছে। ভারতেও রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৫৪ কোটি ৮৯ লাখ ডলার।
তবে বিজিএমইএ পরিচালক মো. মহিউদ্দিন রুবেল জানান, পরিসংখ্যানে প্রধান দেশগুলোতে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হলেও চলতি অর্থবছরের আগের মাসগুলোর তুলনায় প্রবৃদ্ধি কমেছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে আগামী মাসে প্রবৃদ্ধি আরো হ্রাস পেতে পারে।এআরএস