এ ঘটনায় নিরবের পাঁচ সহপাঠীকে আটক করেছে পুলিশ। ডুমুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ কনি মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।ওসি শেখ কনি মিয়া জানান, একমাস ধরে এ পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনা মতো বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় ছুটির পর কয়েকজন ছাত্র নিরবকে বিদ্যালয়ের পেছনে একটি পরিত্যক্ত রুমে নিয়ে যায়। সেখানে চালানো হয় অমানবিক নির্যাতন। এরপর নিরবের বাবাকে ফোন করে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
সন্তানকে খুঁজে না পেয়ে নিরবের বাবা বৃহস্পতিবার বিকেলে ডুমুরিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অনুসন্ধানে নামে পুলিশ। সন্দেহভাজন হিসেবে বিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়।
তাদের দেয়া তথ্যে রাত বারোটায় বিদ্যালয়ে অভিযান চালিয়ে নিরবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।শেখ কনি মিয়া জানান, ভারতীয় সিরিয়াল দেখেই এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।