আগামী ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের হয়ে মনোনয়ন পাওয়ার আশায় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন নিকি হ্যালি।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে সাউথ ক্যারোলিনার গভর্নর ছিলেন তিনি। পাশাপাশি জাতিসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবেও কাজ করেছেন নিকি।
নিউইয়র্ক পোস্টের মন্তব্য প্রতিবেদনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে সহায়তা বন্ধ করে দেয়ার অঙ্গীকার করে হ্যালি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রবিদ্বেষী দেশগুলোকে সহায়তা বাবদ আমি এক পয়সাও দেব না। গর্বিত যুক্তরাষ্ট্র খারাপ লোকদের সহায়তা দেয় না। গৌরবান্বিত যুক্তরাষ্ট্র তাদের জনগণের কষ্টে উপার্জিত অর্থ নষ্ট হতে দেয় না। সেই নেতারাই আমাদের আস্থা অর্জন করতে পারে, যারা শত্রুর বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়ায় এবং বন্ধুদের পাশে থাকে।’
হ্যালি বলেন, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র বিদেশি সহায়তা বাবদ ৪ হাজার ৬০০ কোটি ডলার খরচ করেছে, যা অন্যসব দেশের তুলনায় বেশি। দেশের অর্থ কোথায় যাচ্ছে করদাতাদের তা জানার অধিকার আছে বলে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বেশিরভাগ অর্থ যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী দেশে যাচ্ছে তা জানতে পারলে করদাতারও আঁতকে উঠবেন।
এদিকে ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়ে আগে থেকেই মাঠে রয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বছরের নভেম্বরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন। রিপাবলিকান পার্টি থেকে প্রার্থী হয়ে ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হয়েছিলেন ট্রাম্প। তার এই জয় বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল।
২০২০ সালের নির্বাচনেও ট্রাম্প প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এই নির্বাচনে তার প্রতিপক্ষ ছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেন। নির্বাচনে বাইডেনের কাছে হেরে যান ট্রাম্প। কিন্তু নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতির অভিযোগ তোলেন তিনি। এমনকি এখন পর্যন্ত পরাজয় স্বীকার করেননি।