মো. মাইন উদ্দিন বলেন, বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ভূমিকম্প বিধ্বস্ত তুরস্ক ও সিরিয়ায় ফায়ার সার্ভিসের ১২ সদস্যের একটি দল রওনা দেবে।
সংশ্লিষ্ট আরেকটি সূত্রে জানা গেছে, ফায়ার সার্ভিস ছাড়াও বিমানবাহিনী ও সেনাবাহিনীর আলাদা আরও দুটি দল উদ্ধার কাজে অংশ নিতে সেখানে যাচ্ছে।
এদিকে তুরস্ক ও সিরিয়ায় আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়েছে।
সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে আঘাত হানে। এলাকাটি সিরিয়ার সীমান্তে। এর ১১ মিনিট পর আঘাত হানে ৭.৬ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প। তুরস্ক ছাড়াও এই ভূমিকম্প পাশের সাইপ্রাস ও লেবাননেও অনুভূত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) বলছে, এদিন ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে সিরিয়ার সীমান্তবর্তী তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের গাজিয়ানতেপ শহরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল কাহরামানমারাস শহরে।
তুরস্কের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার কর্মকর্তা ওরহান তাতার এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বলেছেন, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত তুরস্কে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৩৮১ জনে পৌঁছেছে। তাতারের মতে, ২০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত তুরস্কে ১১ হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিকম্প কবলিত এলাকায় প্রায় ২৫ হাজার উদ্ধারকর্মী কাজ করছেন। তারা আহতদের পরিবহন এবং অনুসন্ধান অভিযান দ্রুততর করার জন্য কমপক্ষে ১০টি জাহাজ এবং ৫৪টি বিমান ব্যবহার করছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
পাশের দেশ সিরিয়ায় এই ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়ে গেছে। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অন্তত ৩ হাজার ৬৪৮ জন আহত হয়েছেন।