শ্রীলঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের (এলপিএল) প্রথম কোয়ালিফায়ারে ডাম্বুল অরার মুখোমুখি হয়েছিল সাকিব আল হাসান-লিটন দাসদের দল টাইটান্স। জিতলেই ফাইনালে উঠে যেত তারা। কিন্তু ডাম্বুলার বিপক্ষে ৬ উইকেটে হারায় প্রথমবারে ফাইনালে উঠার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে গলের, যদিও এখনও ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ রযেছে তাদের সামনে। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে জিতলে ২০ আগস্ট ফাইনালে সেই ডাম্বুলার মুখোমুখি হবে তারা।
এদিন ব্যাট হাতে গড়পড়তা ছিলেন সাকিব, তবে বোলিংয়ে সেটা ভালোভাবেই পুষিয়ে দিলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। বিশেষ করে ১৭ নম্বর ওভারে মাত্র ২ রান দিয়ে ম্যাচ অনেকটাই ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন টাইগার অধিনায়ক। তবে সতীর্থরা যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি তাকে। তাতে সরাসরি ফাইনালে উঠে গেল কুশল মেন্ডিসের দল।
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে টস হেরে শুরুতে ব্যাটিং করে সাকিব-লিটনদের গল। আগের ম্যাচের মতো এদিনও ব্যাট হাতে দ্যুতি ছড়াতে পারেননি লিটন। ১ বাউন্ডারিতে ৭ বলে ৮ রান করে আউট হয়েছেন হেইডেন করের বলে।
সাকিব শুরুটা ভালো করলেও এগোতে পারেননি বেশিদূর। ১৭ বলে ১৯ রান করে ধনঞ্জয়ার বলে আউট হন তিনি। সাকিব আউট হওয়ার পর দ্রুত আরও কয়েকটি উইকেট হারায় গল। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে দারুণ ব্যাটিং করেন লাসিথ ক্রুসপুলে। ৬১ বলে ৮০ রান করে তিনি আউট হলে গলের ইনিংস থামে ১৪৬ রানে।
রান তাড়ায় শুরুটা ভালো হয় ডাম্বুলার। আভিশকা ফার্নান্দো খেলেছেন বরাবরের মতোই ঝোড়ো ইনিংস। ১৪ বলে ২৪ রান করা এই লঙ্কান ব্যাটারকে সাজঘরের পথ দেখান সাকিব। তবে তাতে রানের গতি কমেনি ডাম্বুলার। ১৩ রান করা সাদিরাকে ফেরান সেকুগে প্রসন্ন।
সাকিবদের ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা ধুলিস্যাৎ করে দেয় ডাম্বুলার তৃতীয় উইকেট জুটি। এই উইকেটে ৫৬ বলে ৬৯ রান করেছেন কুশল পেরেরা এবং মেন্ডিস। শেষদিকে শামসি কুশল মেন্ডিসকে ফেরালেও পেরেরা জয়ের ভিত তৈরি করে ফেলেন। জয় থেকে মাত্র ১ রান দূরে থাকতে ৫৩ রান করে আউট হন পেরেরা। এরপর স্বাচ্ছন্দের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ডাম্বুলা।