প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, সরকার নির্ধারিত সীমার বাইরে খাদ্য মজুত করা বা মজুত সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা লঙ্ঘন করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
এ অপরাধে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে এবং জরিমানাও করা হবে।
খসড়ার ৬ ধারায় বলা আছে, কোনো ব্যক্তি খাদ্য অধিদফতরের সিল বা চিহ্নযুক্ত সিল ছাড়া সরকারি গুদামে খাদ্যদ্রব্য বিতরণ, স্থানান্তর, ক্রয় বা বিক্রি করলে পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।১৯৫৬ সালের ফুড (স্পেশাল কোর্ট) এবং ১৯৭৯ সালের ফুডগ্রেইনস সাপ্লাই (প্রিভেনশন অব প্রিজুডিশিয়াল অ্যাকটিভিটি) অধ্যাদেশ বাতিল করে নতুন আইন তৈরি করা হচ্ছে।
এর আগে, ২০২২ সালের ১৮ এপ্রিল মন্ত্রিসভা নীতিগতভাবে এ খসড়া আইনটির অনুমোদন দেয় এবং এটি আরও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠায়।