প্রায় এক বছর আগে ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো কিয়েভ সফরে যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইউক্রেনের প্রতিবেশী পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ দুদার সঙ্গে সাক্ষাতের পরই কিয়েভে এই আকস্মিক সফরে যান বাইডেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, পুতিন মনে করছিলেন ইউক্রেন দুর্বল এবং আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব না। তিনি ভরসা রাখছিলেন ন্যাটোকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে আমরা ব্যর্থ হব, তিনি ভেবেছিলেন আমরা ইউক্রেনের পাশে থাকব না।
বাইডেন বলেন, পুতিন ভেবেছিলেন তিনি আমাদের ছাড়িয়ে যেতে পারবেন। আমার মনে হয় না এখন তিনি এমন কিছু ভাবছেন। তিনি একেবারে ভুল ছিলেন। এক বছর পর এর প্রমাণ এই কক্ষে রয়েছে। আমরা এখানে একসঙ্গে দাঁড়িয়ে আছি।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জো বাইডেনের কিয়েভ সফর ঘিরে ইউক্রেনের রাজধানীজুড়ে সাইরেন বেজে ওঠে। তবে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা বিমান হামলার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, কিয়েভ সফরে আসা বাইডেনের সঙ্গে দূরপাল্লার অস্ত্র নিয়ে আলোচনা করেছেন তিনি।
এদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, শিগগিরই রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও নিষেধাজ্ঞা এবং ইউক্রেনে সামরিক সহায়তার ঘোষণা দেবেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর বর্ষপূর্তির মাত্র চারদিন আগে কিয়েভ সফরে গেলেন জো বাইডেন। অভিযানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে প্রেসিডেন্ট পুতিন ভাষণ দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার আগে কিয়েভে বাইডেনের সফর মস্কোর সঙ্গে পশ্চিমাদের উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।