এমন পরিস্থিতিতে আরও বেশি অত্যাধুনিক অস্ত্র সরবরাহের আবেদন জানাচ্ছে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ। গত সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ব্রাসেলসে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের দুদিনব্যাপী নিরাপত্তাবিষয়ক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
আরটির প্রতিবেদন মতে, ওই বৈঠকে ইউক্রেনের বেশি বেশি অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরেন ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল জেন্স স্টলটেনবার্গ। সতর্ক করে বলেন, পশ্চিমা মিত্ররা যে পরিমাণ অস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে, কিয়েভ যুদ্ধক্ষেত্রে তার চেয়ে বেশি অস্ত্রের ব্যবহার করছে।
সেই বৈঠকে বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল মার্ক মিলি। বলেন, এই যুদ্ধের একটি দিক হলো, অতি উচ্চহারে প্রচলিত যুদ্ধাস্ত্রের ব্যবহার হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এজন্য আমাদেরকে নিজস্ব অস্ত্রের মজুত ও পরিকল্পনাগুলোও নতুন করে যাচাই করে দেখতে হচ্ছে। যাতে জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য আমরা প্রস্তুত থাকতে পারি ও বাজেটে তা যুক্ত করতে পারি। কেননা গোলাবারুদ খুবই ব্যয়বহুল।’
দ্য টেলিগ্রাফ বলছে, ইউক্রেনীয় বাহিনী এখন প্রতিদিন ৬ হাজারের মতো আর্টিলারি শেল তথা গোলা ব্যবহার করছে। এটা স্বাভাবিকের তুলনায় এত বেশি যে সরবরাহে পশ্চিমারা রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস বলেছেন, ইউক্রেনীয় বাহিনীর গোলাবারুদ দ্রুতই ফুরিয়ে যেতে পারে যদি না তারা আরও সংযতভাবে ব্যবহার করে।