কয়েনমার্কেটক্যাপ ডট কম অনুযায়ী, সে দিন ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজার মূল্য সামগ্রিকভাবে ৭৬ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে।
মার্কিন কর্তৃপক্ষ ডিজিটাল মুদ্রার বাজারটির ওপর কঠোর নজরদারি রাখার সত্ত্বেও মুদ্রাটির দর বাড়ছে। গত সপ্তাহেই ইউএস সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ ক্র্যাকেনকে স্টেকিং প্রোগ্রাম সঠিকভাবে নিবন্ধন করতে না পারার অভিযোগে ৩০ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছে।
এদিকে সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিউইয়র্ক স্টেট ডিপার্টমেন্ট অব ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ক্রিপ্টো ফার্ম প্যাক্সোসকে নতুন বিনান্স ইউএসডি বা বিইউএসডি, স্টেবলকয়েন তৈরি বন্ধ করতে বলেছে।
কিন্তু বিটকয়েনের বাজার আধিপত্য বাড়ছে বলে মনে করেন জাপানিজ ক্রিপ্টো ফার্ম বিটকয়েন ব্যাংকের একজন বিশ্লেষক ইউওয়া হাসিগাওয়া।
ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ লুনো-এর কর্পোরেট ডেভেলপমেন্ট এবং ইন্টারন্যাশনালের ভাইস প্রেসিডেন্ট বিজয় আইয়ার বলেন, ‘গত বছর বাজার তলানিতে ঠেকেছিল। কিন্তু ক্রমবর্ধমানভাবে সেই পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটছে। বাজারে এখন গতি এসেছে। আমরা আমাদের সবচেয়ে খারাপ সময় পার করে এসেছি।’
গত বছর ক্রিপ্টো বাজার থেকে প্রায় ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার হারিয়ে যায়। যার কারণে খাতটিতে অনেকেই দেউলিয়া হোন। এসব অস্থিরতার মধ্যে ক্রিপ্টোর প্রধান এক্সচেঞ্জ এফটিএক্সে ধস নামে।