বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে লোন শেষে এবার বার্সেলোনার উদ্দেশে পাড়ি দিচ্ছেন পর্তুগিজ ফুলব্যাক জোয়াও কানসেলো। ম্যানচেস্টার সিটি থেকে তাকে এক মৌসুমের জন্য ধারে দলে টানছে কাতালানরা। তবে চাইলে লোন শেষে তাকে স্থায়ীভাবে কিনে নিতে পারবে জাভি হার্নান্দেজের দল।দলবদল বিষয়ক নির্ভরযোগ্য সূত্র ফ্র্যাব্রিজিও রোমানো সোমবার (২৮ আগস্ট) এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুলব্যাক জোয়াও কানসেলো। ২০১৯ সালে য়্যুভেন্তাস থেকে তাকে দলে ভেড়ায় ম্যানচেস্টার সিটি। ইংলিশ জায়ান্টদের হয়ে চার মৌসুম খেলে ৩টি প্রিমিয়ার লিগ, ২টি ইএফএল কাপ ও একটি এফএ কাপ জেতেন এ পর্তুগিজ। ২০২০-২১ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালেও চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্স ছিল তার। কিন্তু কোচ পেপ গার্দিওয়ালার সঙ্গে দ্বন্দ্বে দল থেকে অনিয়মিত হয়ে পড়েন তিনি।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৭০ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে ক্রয়ের সুযোগ রেখে তাকে লোনে বায়ার্ন মিউনিখে পাঠায় ম্যানসিটি। তবে জুনে লোন শেষে তাকে আর ধরে রাখেনি বায়ার্ন। যার কারণে সিটির সঙ্গে ২০২৭ সাল পর্যন্ত চুক্তি থাকা কানসেলোকে আবারও পুরনো ডেরায় ফিরে আসতে হয়। এসময় সিটি এফএ কমিউনিটি শিল্ডের ফাইনাল, উয়েফা সুপার কাপের ফাইনালসহ প্রিমিয়ার লিগে ৩টি ম্যাচ খেললেও কোনোটিতে মাঠে দেখা যায়নি তাকে।
কানসেলোই অবশ্য ম্যানসিটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাচ্ছিলেন। এ গ্রীষ্মের দলবদলের শুরু থেকেই তিনি বার্সা ও আর্সেনালের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। শেষ পর্যন্ত স্থায়ীভাবে না হলেও লোনে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যের একটিতে পাড়ি দিচ্ছেন কানসেলো। মৌসুম শেষে তাকে কিনে নেয়ার সুযোগ থাকছে কাতালানদের। ফুটবল ভিত্তিক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গোল ডট কম বলছে, আগামী ৩ সেপ্টেম্বর ওসাসুনার বিপক্ষে ম্যাচে বার্সার হয়ে অভিষেক হতে পারে কানসেলোর।
২৯ বছর বয়সী এ পর্তুগিজের জন্য অবশ্য লা লিগা কোনো নতুন গন্তব্য নয়। এর আগে ২০১৪-১৫ মৌসুমে বেনফিকা থেকে লোনে ভ্যালেন্সিয়ার হয়ে খেলেছিলেন তিনি। ২০১৬ সালে জাতীয় দলে অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত পর্তুগালের হয়ে ৪৪ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। যেখানে তার গোল সংখ্যা ৮। এ ফুলব্যাক পেশাগত ক্লাব ক্যারিয়ারে সব মিলিয়ে খেলেছেন ৩৮১ ম্যাচ। যেখানে ৬৪ অ্যাসিস্টের পাশাপাশি আছে ১৮টি গোল। তার অন্তর্ভূক্তি বার্সার রক্ষণে নিঃসন্দেহে শক্তি বাড়াবে। কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারবেন কোচ জাভিও।