ডাগআউটের সামনে পতাকা নিয়ে প্রস্তুত হয়েই ছিল একাদশের বাইরে থাকা বাকি ক্রিকেটাররা। গ্যালারিতেও হাজার পাঁচেক দর্শকের উল্লাস দেখে মনে হচ্ছিলো ম্যাচটা বুঝি মিরপুরেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তারাও প্রস্তুত ক্রিকেটারদের বিজয়ী ল্যাপ অব অনারের জবাব দিতে।
শেখ পারভেজ জীবনের করা ২৫তম ওভারের পঞ্চম বলে ওমিদ রেহমান যখনই ক্যাচটা তুলে দিলেন মোহাম্মদ শিহাবের হাতে, ওমনি পতাকা নিয়ে দৌড়ে মাঠে প্রবেশ করলেন ডাগআউটে প্রস্তুত থাকা ক্রিকেটাররা। গ্যালারিতে চলছে তখন উল্লাসের ঢেউ। ১৯৫ রানের বিশাল ব্যবধানে স্বাগতিক আরব আমিরাতকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ!
ডাগআউটের সামনে পতাকা নিয়ে প্রস্তুত হয়েই ছিল একাদশের বাইরে থাকা বাকি ক্রিকেটাররা। গ্যালারিতেও হাজার পাঁচেক দর্শকের উল্লাস দেখে মনে হচ্ছিলো ম্যাচটা বুঝি মিরপুরেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তারাও প্রস্তুত ক্রিকেটারদের বিজয়ী ল্যাপ অব অনারের জবাব দিতে।
শেখ পারভেজ জীবনের করা ২৫তম ওভারের পঞ্চম বলে ওমিদ রেহমান যখনই ক্যাচটা তুলে দিলেন মোহাম্মদ শিহাবের হাতে, ওমনি পতাকা নিয়ে দৌড়ে মাঠে প্রবেশ করলেন ডাগআউটে প্রস্তুত থাকা ক্রিকেটাররা। গ্যালারিতে চলছে তখন উল্লাসের ঢেউ। ১৯৫ রানের বিশাল ব্যবধানে স্বাগতিক আরব আমিরাতকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ!
সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে নাম লিখেই চমক দেখিয়েছিল আরব আমিরাত। ফাইনালে উঠে আসা যে কোনো দলই সমীহ পাওয়ার যোগ্য। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ আরব আমিরাতকে হারালেও ফাইনালের কঠিন পরীক্ষায় স্নায়ুর চাপে কে এগিয়ে থাকবে, কে পিছিয়ে থাকবে- সেটাই ছিল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
কিন্তু আরব আমিরাতের ক্রিকেটাররা যে এমন অসহায় আত্মসমর্পণ করবে, তা হয়তো ঘূর্ণাক্ষরেও কেউ ভাবতে পারেনি। প্রথমে আশিকুর রহমান শিবলির দুর্দান্ত সেঞ্চুরি, এরপর মারুফ মৃধা, রোহানাত দৌলা বর্ষণ, ইকবাল হোসেন ইমন এবং শেখ পারভেজ জীবনদের নিয়ন্ত্রিত এবং বিধ্বংসী বোলিংয়ে এশিয়ার সেরার মুটুক উঠলো বাংলাদেশ দলের মাথায়।
আকবর হোসেনের নেতৃত্বে তানজিদ তামিম, তানজিম সাকিব, শরিফুল, তাওহিদ হৃদয়রা জয় করেছিল বিশ্বকাপ। এবার মাহফুজুর রহমান রাব্বির নেতৃত্বে আশিক, জিসান, রিজওয়ান, মৃধা, আহরার এবং জীবনরা জিতলো এশিয়ার স্রেষ্ঠত্বের মুকুট।
সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে নাম লিখেই চমক দেখিয়েছিল আরব আমিরাত। ফাইনালে উঠে আসা যে কোনো দলই সমীহ পাওয়ার যোগ্য। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ আরব আমিরাতকে হারালেও ফাইনালের কঠিন পরীক্ষায় স্নায়ুর চাপে কে এগিয়ে থাকবে, কে পিছিয়ে থাকবে- সেটাই ছিল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
কিন্তু আরব আমিরাতের ক্রিকেটাররা যে এমন অসহায় আত্মসমর্পণ করবে, তা হয়তো ঘূর্ণাক্ষরেও কেউ ভাবতে পারেনি। প্রথমে আশিকুর রহমান শিবলির দুর্দান্ত সেঞ্চুরি, এরপর মারুফ মৃধা, রোহানাত দৌলা বর্ষণ, ইকবাল হোসেন ইমন এবং শেখ পারভেজ জীবনদের নিয়ন্ত্রিত এবং বিধ্বংসী বোলিংয়ে এশিয়ার সেরার মুটুক উঠলো বাংলাদেশ দলের মাথায়।
আকবর হোসেনের নেতৃত্বে তানজিদ তামিম, তানজিম সাকিব, শরিফুল, তাওহিদ হৃদয়রা জয় করেছিল বিশ্বকাপ। এবার মাহফুজুর রহমান রাব্বির নেতৃত্বে আশিক, জিসান, রিজওয়ান, মৃধা, আহরার এবং জীবনরা জিতলো এশিয়ার স্রেষ্ঠত্বের মুকুট।
এবারের এশিয়া কাপে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন আশিকুর রহমান শিবলি। এনিয়ে দুটি সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেছেন অপরাজিত ১১৬ রানের ইনিংস। জাপানের বিপক্ষে খেলেছেন অপরাজিত ৫৫ এবং আরব আমিরাতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে খেলেছেন ৭১ রানের ইনিংস।
টস হেরে ব্যাট করতে নামার পর শুরুতেই ওপেনার জিশান আহমেদের উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যুব টাইগাররা। কিন্তু দ্রুতই সামলে নেন আশিকুর রহমান শিবলি এবং চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান।
দুজনের ১২৫ রানের অনবদ্য জুটি গড়ে তোলেন এই দুজন। ৭১ বলে ৬০ রান করে রিজওয়ান আউট হলেও আশিকুর রহমান সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যান। তার সঙ্গে ব্যাট করতে নেমে ঝড় তোলেন আরিফুল ইসলাম। ৪০ বলে ৫০ রান করে আউট হন তিনি।
শেষ দিকে নিয়মিত বিরতিতে বেশ কয়েকটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এমনকি ইনিংস শেষ হওয়ার এক বল আগে আউট হন আশিকুর রহমান শিবলিও। ১৪৯ বলে ১২ বাউন্ডারি এবং ১ ছক্কায় ১২৯ রান করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৮২ রান।