দীর্ঘ ১৮ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) স্বদেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় এক বিশাল সংবর্ধনা ও জনসভার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। রোববার দুপুর থেকে বিশ্বরোড-পূর্বাচলমুখী সড়কের একটি অংশে বিশালাকার মঞ্চ নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন দলের নেতাকর্মীরা।
বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমান লন্ডন থেকে সিলেট হয়ে বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইটে করে বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। বিমানবন্দর থেকে বনানী ও কাকলী হয়ে তিনি সরাসরি ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন এবং সেখানে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ভাষণ দেবেন। এই অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ইতোমধ্যে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে লিখিত অনুমতি লাভ করেছে বিএনপি।
দলের মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, রোববার রাতে বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর পক্ষ থেকে অনুমতিপত্রটি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর কাছে পৌঁছানো হয়েছে।
সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করেছেন, প্রিয় নেতাকে বরণ করে নিতে এটি হবে বাংলাদেশের ইতিহাসের বৃহত্তম জনসমাগম। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে বিশেষ ট্রেনের আবেদন জানানো হয়েছে।
তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বিমানবন্দর থেকে সভাস্থল পর্যন্ত শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বিশেষ স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করা হয়েছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, এই গণসংবর্ধনার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।