সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪১ পূর্বাহ্ন
Title :
‘জুলাই বিপ্লব ফরাসি বিপ্লবের চেয়েও কোনো অংশে কম নয়’: রিজভী আইন কর্মকর্তা নিয়োগে অভিযোগের প্রমাণ চাই, তদন্তে আপত্তি নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল পবা-মোহনপুরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পর্যায়ক্রমে কাজ করা হবে: এমপি মিলন সরকারের সমালোচনা করা যাবে, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নয়: তথ্যমন্ত্রী নিউজিল্যান্ডে ৫.৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প দুবাইয়ে জামিনে মুক্ত বেনজীর চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বিদেশি অস্ত্রসহ দুই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার ১৪ মাসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ২ লাখের বেশি ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১৬৬ ইরান সংঘাত দীর্ঘ হলে ইসরায়েলকে রক্ষা কঠিন হতে পারে: মার্কিন জেনারেল সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফোনে সতর্ক করলেন আরাগচি

১৪ মাসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ২ লাখের বেশি ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১৬৬

  • Update Time : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭ Time View

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গত ১৪ মাসে পরিচালিত অভিযানে ১৬৬ জন বিভিন্ন মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ২ লাখ ৪ হাজার ৩১টি ইয়াবা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক, চুরি ও হারানো ৩৭টি মোবাইল ফোন এবং অপহৃত ১৩ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে।

৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এপিবিএনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৪ মে থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ৭১টি মামলায় ১৬৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে হত্যা মামলার ২২ জন, অস্ত্র মামলার ৮ জন, অপহরণ মামলার ১২ জন, মাদক মামলার ৪৩ জন, ধর্ষণ মামলার ২ জন, চুরি মামলার ৫ জন এবং অন্যান্য মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রয়েছেন।

একই সময়ে বিভিন্ন বয়সী অপহৃত ১৩ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া জব্দ করা হয়েছে একটি সাব-মেশিনগান (এসএমজি), একটি পিস্তল, একটি রিভলভার, সাতটি ওয়ান শুটারগান, দুটি একনলা বন্দুক, ৩০ রাউন্ড গুলি, ২৩টি গুলির খোসা, ৩ রাউন্ড কার্তুজ, বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র, ২ কেজি গাঁজা, ২৪০ গ্রাম ইয়াবার গুঁড়া, ১৩ লিটার দেশীয় মদ, একটি ওয়াকি-টকি সেট, বিকাশ প্রতারণার ৩০ হাজার টাকা এবং মাদক বিক্রি ও অন্যান্য উৎস থেকে পাওয়া ১৪ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা। উদ্ধার করা হয়েছে চুরি বা হারিয়ে যাওয়া ৩৭টি মোবাইল ফোনও।

এপিবিএনের কর্মকর্তারা জানান, অভিযানের পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গ্রুপভিত্তিক সংঘর্ষ ও সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ, অস্ত্রের মহড়া প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ রোধ, সরাসরি ও অনলাইন জুয়া বন্ধ এবং পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইউনিটের সদস্যদের নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নে নতুন সেন্ট্রি পোস্ট ও শেড নির্মাণসহ অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন উদ্যোগও বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সন্ত্রাস দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে হত্যা, অস্ত্র, অপহরণ ও মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার এবং অপহৃত ব্যক্তিদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপরাধ দমনে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category