শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন
Title :
ফ্রান্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রী’র সংবর্ধনা অনুষ্ঠান স্থগিত: প্রবাসী মহলে ব্যাপক আলোচনা চীনের বিনিয়োগের পাশাপাশি আমাদেরও রপ্তানির সুযোগ রয়েছে: মাহদী আমিন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে সরকার কাজ করছে: প্রতিমন্ত্রী টুকু মধুপুরে কূপে নিহত চারজনের পরিবারকে এক লাখ টাকা সহায়তা ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই চীনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাশিয়া, চীন ও তুরস্ককে আমি যুদ্ধের বাইরে রেখেছি: ট্রাম্প শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের বৈঠক লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে আদ্-দ্বীনের আপিল

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ঘটনায় পুলিশের ৪ সদস্য ক্লোজড: ডিসি মাসুদ

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৮৫ Time View

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীকে পুলিশের মারধরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার রাতে এই ঘটনার পর জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আজ মঙ্গলবার দুপুরে শাহবাগ থানা ঘেরাও করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এদিকে, এ ঘটনায় পুলিশের চার সদস্য ক্লোজড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলম।

বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির জেরে দুই পক্ষের একটু বাড়াবাড়ির জেরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার সময় ডিউটিতে থাকা পুলিশের চার সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানা যায়, সোমবার রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে দুই সাংবাদিক, শিক্ষার্থী নাঈম উদ্দীনসহ কয়েকজন দর্শনার্থী পুলিশের মারধরের শিকার হয়। ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিক হলেন—বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের তোফায়েল আহমেদ (২৫) এবং আজকের পত্রিকার কাউসার আহমেদ রিপন (২৭)।

পরে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল পুলিশ সদস্য তোফায়েলকে লাঠি দিয়ে নির্বিচারে পেটাচ্ছেন। পরে অন্য পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

অভিযান প্রসঙ্গে ডিসি মাসুদ বলেন, কাউকে আটক করলে প্রথমে আইনসম্মতভাবে তল্লাশি করা হয়। কিছু পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়, আর কিছু না পাওয়া গেলে তাকে চলে যেতে দেওয়া হয়। তিনি দাবি করেন, সাধারণত কারও সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণ করা হয় না।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কেন রাতের অন্ধকারে নির্দিষ্ট পথ ব্যবহার না করে ভেতরের রাস্তা দিয়ে হেঁটেছিলেন। তার মতে, রাত ১০টার দিকে অন্ধকার এলাকায় চলাচল স্বাভাবিক নয় এবং এ বিষয়টি সন্দেহের উদ্রেক করে। তারপরও বলব, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ, আগামীতেও এটা চলবে। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে আরও সতর্কতা অবলম্বন করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category