মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১১ অপরাহ্ন
Title :
মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-নাছিম-আরাফাত-পরশসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়াই সরকারের প্রধান অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ, দেওয়া হলো আর্থিক সহায়তা আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আজিজুল হক লালমাটিয়া থেকে আটক ডাকযোগে ভোটে ট্রাম্পের নতুন বিধিনিষেধে সুপ্রিম কোর্টের বাধা জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে রাশিয়া-ইউক্রিয়ার সমঝোতার দাবি ট্রাম্পের ডাবলিনে বাংলাদেশি-পর্তুগিজ কমিউনিটির মিলনমেলা ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন এক শিক্ষার্থী নরসিংদীর মনোহরদীতে ৩০০ লিটার চোলাই মদসহ দম্পতি গ্রেপ্তার উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০-০ গোলে হারলো বাংলাদেশ

কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়াই সরকারের প্রধান অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭ Time View

জনগণের সঙ্গে আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে তাদের স্বার্থ সুরক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান সময়ে জনগণের প্রতি সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ‘সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রত্যয়ে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে সোমবার  দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার  দিবসটি পালিত হচ্ছে।

এবারের আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের প্রতিপাদ্য ‘রেইজিং হ্যান্ডস অ্যান্ড ভয়েসেস- ফস্টারিং এজেন্সি অ্যান্ড ওনারশিপ থ্রু ডেলিবারেটিভ ডেমোক্র্যাসি’।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব গণতন্ত্রকামী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে তাঁদের গণতান্ত্রিক ও মানবিক অধিকারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন।

তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্রের মূল চেতনা হলো রাষ্ট্র ও সমাজে মানুষের বাক্ ও ব্যক্তিস্বাধীনতা, সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করা। গণতান্ত্রিক অধিকার শুধু ভোট দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। গণতন্ত্রকে টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করাও জরুরি।  তিনি বলেন, এই লক্ষ্যেই সরকার দেশের মানুষের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছে। একপর্যায়ে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি মানুষের বাক্, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।

পরবর্তী সময়ে জনগণের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে আবারও ফ্যাসিবাদী শাসন ও শোষণ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বীর ছাত্র-জনতা রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে।

বিএনপি সরকারে থাকুক কিংবা বিরোধী দলে, সব অবস্থান থেকেই গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে নিশ্চিত হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সমৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদার রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সামাজিক স্থিতি ও ন্যায়পরায়ণতা।’

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category