রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
Title :
ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলতে যাচ্ছে ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র “কুরাসাও” সেই যাত্রায় জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের নাম রাডার স্টেশনে হামলার জবাবে মার্কিন নৌঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা দেশের যে তিন চ্যানেলে সরাসরি দেখা যাবে বিশ্বকাপ ৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুতের দাম বাড়ছে না: তথ্য উপদেষ্টা একলাফে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার টাকা কমল স্বর্ণের দাম জাতিসংঘের মরণোত্তর পদকে ভূষিত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী ছেলের বাধায় স্ত্রীর জানাজায় যেতে পারেননি বৃদ্ধ, পুলিশি সহায়তায় কবর জিয়ারত নাটোরে ট্রাক-মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ, প্রকৌশলীর ২ শিশু সন্তান নিহত গণতন্ত্র বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে স্বাধীন গণমাধ্যম: হুইপ দুলু জুনের প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্স এলো ৪৮ কোটি ডলার

রাডার স্টেশনে হামলার জবাবে মার্কিন নৌঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

  • Update Time : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬
  • ৯ Time View

পারস্য উপসাগরের গোরুক ও কেশম দ্বীপে ইরানি প্রতিরক্ষা বাহিনীর রাডার স্টেশনে মার্কিন বোমাবর্ষণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টা আঘাত হেনেছে তেহরান। কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের অভিজাত বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এবং মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকোম) পৃথক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে আইআরজিসির বরাত দিয়ে জানানো হয়, শনিবার ভোরে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে শত্রুদের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে অ্যারোস্পেস ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী।

অন্যদিকে মার্কিন সেন্টকোম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, শনিবার ভোরের দিকে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিটের সদর দপ্তরকে নিশানা করে মোট ৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইরান। তবে সবগুলো ক্ষেপণাস্ত্রই লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার আগেই মাঝআকাশে ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার মধ্যরাতে হরমুজ প্রণালির দিকে ধেয়ে আসা ইরানের ৪টি ‘ওয়ান ওয়ে অ্যাটাক’ ড্রোন ভূপাতিত করে মার্কিন বাহিনী। এরপর পরবর্তী হামলা ঠেকাতে গোরুক ও কেশম দ্বীপে ইরানের উপকূলীয় রাডার স্টেশনগুলোতে বোমাবর্ষণ করে সেন্টকোম। এর কয়েক ঘণ্টার মাঝেই কুয়েত ও বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে জবাব দেয় আইআরজিসি।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামের সামরিক অভিযান শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। টানা ৪০ দিনের সংঘাত শেষে গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়।

কাগজে-কলমে সেই যুদ্ধবিরতি এখনও বলপ্রয়োগে টিকে থাকলেও বাস্তবে তা চরম ভঙ্গুর রূপ নিয়েছে। গত ২৮ মে থেকে প্রায় প্রতিদিন জুড়েই পরস্পরকে লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে আইআরজিসি এবং সেন্টকোম।

সূত্র : এএফপি, আলজাজিরা

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category