রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
Title :
মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: জুবাইদা রহমান শেখ হাসিনার নির্দেশে সালাহউদ্দিন আহমেদকে গুম করা হয়েছিল পাকিস্তানি নারী গোয়েন্দার ফাঁদে পড়ে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পাইলট গ্রেপ্তার ইরান যুদ্ধ থেকে সরে আসার পরামর্শ মার্কিন সেনাপ্রধানের মেসির বাবা হোর্হে মেসি আর নেই এসএসসির ফল প্রকাশ সোমবার, যেভাবে জানা যাবে আর কোনো ঘরবাড়ি যেন নদীতে না যায়, এটা সরকারের ওয়াদা: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী গাংনীতে পরিত্যক্ত ১০টি ল্যান্ডমাইন ও ৫টি বক্স উদ্ধার মেসিকে হত্যার ছক, পুলিশের নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য রাশিয়া থেকে মিত্রকে দূরে সরানোর মিশনে সার্বিয়ায় জেলেনস্কির সফর

তথ্য দূষণের উদ্দেশ্যে সাংবাদিকতা করছেন কেউ কেউ: তথ্যমন্ত্রী

  • Update Time : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬
  • ১৭ Time View

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান সময়ে তথ্যকে ফিল্টারিং করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। গণমাধ্যমে একদিকে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা হচ্ছে, অন্যদিকে কেউ কেউ তথ্য দূষণের উদ্দেশ্যে সাংবাদিকতা করছেন। তাই সাংবাদিকতার সংজ্ঞা নির্ধারণ এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য করা প্রয়োজন।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে বরিশাল সার্কিট হাউস মিলনায়তনে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত বরিশাল বিভাগের সাংবাদিকদের কল্যাণবিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, তথ্যের অবাধ প্রবাহের মধ্যে বস্তুনিষ্ঠতা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা এখন বড় দায়িত্ব। সরকার একা এ কাজ করতে পারবে না। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদেরও অংশীদার হতে হবে।

তিনি বলেন, অতীতে সংবাদমাধ্যমের প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল ‘প্রেসের স্বাধীনতা’। এখন তার চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘মিসইনফরমেশন’। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, ন্যায্য বেতন, কর্মপরিবেশ এবং অবসরের পর সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে সম্পাদক, সাংবাদিক ও সংবাদপত্র মালিকদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা হচ্ছে। ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন, সম্পাদকীয় নীতিমালা এবং সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারি বিজ্ঞাপন, ক্রোড়পত্র বণ্টন, মিডিয়া তালিকাভুক্তি, টেলিভিশনের টিআরপি নির্ধারণ এবং সংবাদপত্রের প্রচারসংখ্যা নির্ধারণে কার্যকর নীতিমালার অভাব রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ শুরু করেছে।

মন্ত্রী অভিযোগ করেন, অনেক ক্ষেত্রে টিআরপি ও পত্রিকার প্রচারসংখ্যা নিয়ে বাস্তবতার সঙ্গে মিল নেই। এ ধরনের অসঙ্গতি দূর করে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম খাতকে কাঠামোগতভাবে শক্তিশালী করতে না পারলে জাতিকে দীর্ঘমেয়াদে এর মূল্য দিতে হবে। সাংবাদিকতার গুণগত পরিবর্তন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব বয়ে আনবে।’

ভাষা ও সাংবাদিকতার মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাকে যেকোনো মূল্যে টিকিয়ে রাখতে হবে। সাংবাদিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করা মানেই দেশের ও জাতির কল্যাণ নিশ্চিত করা।’

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল বাছিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য কাওছার হোসেন খন্দকার, বিএফইউজের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহজাহান সাজু এবং বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আজাদ আলাউদ্দিন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category