পূর্ব আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ৬০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও চারজন। আফ্রিকার এই দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় বোনা জুরিয়া ওয়ারেদার গেলানা সেতুতে এই দুর্ঘটনা ও
দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রানওয়েতে যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৭৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উড়োজাহাজটির ১৮১ জনের মধ্যে ১৭৯ জনেরই মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাকি দুজনকে
দক্ষিণ কোরিয়ায় বিমান দুর্ঘটনায় ‘সম্ভবত দুজন ছাড়া বাকি সবাই মারা গেছে’বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। খবর ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সি, আল জাজিরার। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কাউন্টি মুয়ানের একটি বিমানবন্দরে রানওয়ে থেকে ছিটকে যাওয়ার পরে
ইসরায়েলি বাহিনী শনিবার গাজাজুড়ে হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ৩৬ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই ছিটমহলের অবরুদ্ধ উত্তরাঞ্চলে ঘটেছে। ওয়াফা নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে আল জাজিরা এ খবর প্রকাশ করেছে। ওয়ার্ল্ড
প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অভিশংসনের সপ্তাহ দু-একের মাথায় ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হান ডাক-সুকে অভিশংসিত করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার আইনপ্রণেতারা। আজ শুক্রবার দেশটির পার্লামেন্টে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের অভিসংশন নিয়ে ভোটাভুটি হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সামরিক হামলায় পাঁচজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে এ তথ্য জানা গেছে। খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় কেন্দ্রীয় নুসিরাত শরণার্থী
আজারবাইজানের রাজধানী বাকু থেকে ৬৭ জন আরোহী নিয়ে রাশিয়ায় যাওয়ার পথে মধ্য এশিয়ার দেশ কাজাখস্তানে আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, বিধ্বস্ত উড়োজাহাজের অন্তত ৪০ যাত্রীর মৃত্যুর
আফগানিস্তানের পাকতিকা প্রদেশে সন্ত্রাসীদের আস্তানা লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। এতে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআই এবং আফগান সংবাদমাধ্যম
গাজাবাসীর সমর্থনে ইসরায়েলে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি সমর্থিত সামরিক বাহিনী। এসময় বোম্ব শেল্টারে আশ্রয় নিতে গিয়ে অন্তত ২৫ ইসরায়েলি আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে এক নারীর অবস্থা গুরুতর। টাইমস
মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ একটি সেনা সদর দপ্তর দখলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে আরাকান আর্মি। এর মধ্য দিয়ে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর অভিযানের মুখে দ্বিতীয় কোনো আঞ্চলিক কমান্ডের নিয়ন্ত্রণ হারাল মিয়ানমারের