রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
Title :
বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১ উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তার অর্থ ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর প্রাণহানি চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের সমন্বিত পদক্ষেপে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী দিল্লির আন্দোলনে এবার তরুণদের মুখপাত্র নেহা বোরা আটক দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের কড়া পদক্ষেপ মমতা, কেজরিওয়াল ও বিজয়নসহ একাধিক বিরোধী নেতা আটক: দিল্লির যন্তর মন্তরে উত্তেজনা নেত্রকোণায় গাছে ঝুলন্ত সাবেক সেনা সদস্যের মরদেহ উদ্ধার শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে ওবিই কারিকুলামের সঠিক বাস্তবায়ন জরুরি: বাউবি উপাচার্য হামের উপসর্গে দেশে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু

বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১ উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তার অর্থ ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা

  • Update Time : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৯ Time View

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বিদ্যুৎ বিভাগের অধীনে চলমান ৪১টি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বৈদেশিক উৎস থেকে প্রকল্প সাহায্য ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা। একই সঙ্গে সরকারি অর্থায়ন (জিওবি) খাত থেকে ৪ হাজার ৭১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নিজস্ব অর্থায়নে ৩ হাজার ৩৮১ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ বৈঠকে বাজেটের এসব আর্থিক বিবরণ উপস্থাপন করা হয়।

বৈঠকে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে দেশের বর্তমান বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ও প্রকৃত উৎপাদনের এক চিত্র তুলে ধরা হয়। বর্তমানে দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে ১২ হাজার ২২ মেগাওয়াট, যার বিপরীতে প্রকৃত উৎপাদন হচ্ছে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৬ হাজার ৯২৭ মেগাওয়াট হলেও বাস্তবে উৎপাদন হচ্ছে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট। তা ছাড়া তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুতের মোট সক্ষমতা ৬ হাজার ৪০৯ মেগাওয়াট এবং এ খাতে প্রতিদিন গড়ে আড়াই হাজার থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।

স্থায়ী কমিটির ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, রফিকুল ইসলাম হিলালী, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মমতাজ আলো, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান ও মো. আবুল হাসনাত।

সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত শেষে উপস্থিত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের পরিচয় পর্ব সম্পন্ন হয়। এরপর মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম ও অর্থনৈতিক বাজেট নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করেন সদস্যরা।

বৈঠকে জানানো হয়, ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যেসব গ্রাহক ছাদভিত্তিক সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা (রুফটপ সোলার) স্থাপন করবেন, তারা ২০৩০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গ্রিডে সর্ব সরবরাহকৃত প্রতি ইউনিট উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের মূল্য বাবদ ১০ টাকা ৫০ পয়সা করে পাবেন। একই সঙ্গে এই প্রক্রিয়ার আওতায় বর্তমানে ঠিক কত পরিমাণ বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে, সেই হালনাগাদ তথ্য পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করেছে স্থায়ী কমিটি। এ ছাড়া মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়াদি সম্বলিত লিখিত প্রশ্নপত্রের লিখিত উত্তর আগামী বৈঠকে জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, আওতাধীন দপ্তরগুলোর প্রধানগণ ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category