বড় বিপদে য়্যুভেন্তাসের ফরাসি তারকা পল পগবা। ডোপ টেস্টে শরীরে নিষিদ্ধ উপাদান পাওয়া যাওয়ায় ফুটবল থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ হয়েছেন ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী এই মিডফিল্ডার। তার শরীরে মাত্রাতিরিক্ত ‘টেস্টোস্টেরন’ হরমোনের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ২ থেকে ৪ বছরের জন্য ফুটবল থেকে নিষিদ্ধ হতে পারেন ৩০ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার।
এ বিষয়ে তার ক্লাব য়্যুভেন্তাস এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘য়্যুভেন্তাস ফুটবল ক্লাব ঘোষণা করছে যে, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে পল পগবা জাতীয় অ্যান্টি-ডোপিং ট্রাইবুন্যাল কর্তৃক ২০ আগস্ট ২০২৩ এর টেস্টের ফলের ভিত্তিতে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ হয়েছেন। এই ক্লাব পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের অধিকার রাখে।’
পগবার এজেন্ট রাফায়েলা পিমেন্তা এ বিষয়ে বলেন, ‘দ্বিতীয় নমুনার ফলের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। এর ফল না জানা পর্যন্ত আমরা কোনো মন্তব্য করব না।’ তিনি আরও বলেন, ‘যেটা আমি নিশ্চিত বলতে পারি পল পগবা কখনোই কোনো নিয়ম ভাঙতে চায়নি।’
এনএডিও বলছে যে, পগবার শরীরে নিষিদ্ধ উপাদান পাওয়া গেছে যা অ্যান্টি-ডোপিংয়ের আইনের পরিপন্থী। টেস্টোস্টেরন এমন একটি হরমোন যা অ্যাথলেটের সহনশীলতা বৃদ্ধি করে। ফলে পারফরম্যান্সও বৃদ্ধি পায়।
এনএডিওর রেজাল্টকে পুনর্বিবেচনার জন্য পগবাদ হাতে মাত্র তিনদিন সময় আছে। পগবাকে এখন দ্বিতীয়বার পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে। সেখানেও যদি একই ফল আসে, তবে তাকে জাতীয় ডোপিংবিরোধী ট্রাইব্যুনালে ডাকা হবে। সেখানে তাকে ২ থেকে ৪ বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞার সাজা দেওয়া হতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর জুলাইয়ে ফ্রি ট্রান্সফারে জুভেন্টাসে যোগ দেন পগবা। চোটের কারণে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকার পর উদিনেসের বিপক্ষে ম্যাচে দলের সঙ্গে ছিলেন তিনি। তবে শেষমেশ আর মাঠে নামা হয়নি তার।
ফ্রান্সের হয়ে ৯১টি ম্যাচ জিতেছেন পগবা। ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়কও তিনি। ২০১৬ থেকে ২০২২ সালে ইউনাইটেডের হয়ে ২৩৩ ম্যাচে ৩৯ গোল ও ৫১টি অ্যাসিস্ট করেছেন।