রোববার হঠাৎ গুঞ্জন, বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের কল্যাণ সংস্থা ‘কোয়াবের’ সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল পদত্যাগ করেছেন। সাবেক ক্রিকেটার ও কোয়াবের নিবেদিতপ্রাণ সম্পাদক দেবব্রত পাল সত্যিই পদত্যাগ করেছেন?
রাতে নিশ্চিত হওয়া গেলো। না, কোয়াব থেকে নয়। দেবব্রত পাল পদত্যাগ করেছেন, তবে কোয়াবের সেক্রেটারি পদ থেকে নয়, ম্যাচ রেফারির পদ থেকে। বলে রাখা ভালো, বেশ কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের স্বীকৃত ম্যাচ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন দেবব্রত পাল।
কেন এই পদত্যাগ? সত্যিই কি তিনি ম্যাচ রেফারি থেকে পদত্যাগ করেছেন? তা জানতে দেবব্রত পালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনোরকম মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন। মোবাইল ফোনে জাগো নিউজের এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হলেও আদৌ পদত্যাগ করেছেন কি না এবং কেন পদত্যাগ করেছেন- সে সম্পর্কে পরিষ্কার করে কোনো মন্তব্য করেননি দেবব্রত পাল।
নিউজকে দেবব্রত বলেন, দুঃখিত, আমি এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করবো না। তাই ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। আপনারা কী শুনেছেন, কী জেনেছেন তা নিয়ে আমি একটি কথাও বলবো না।
দেবব্রত পাল কোনো মন্তব্য না করলেও জানা যায়, তিনি শুধু ম্যাচ রেফারি পদ থেকেই পদত্যাগ করেছেন। কোয়াব থেকে নয়। এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে তার একদম খুব কাছের সূত্র থেকে।
এদিকে আগেই জানা যায়, দেবব্রত পাল বিএনপির সমর্থক এবং দলীয় কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর জন্মদিন উপলক্ষে রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও উপস্থাপনায় ছিলেন দেবব্রত। ক্রীড়া উন্নয়ন পরিষদ নামে বিএনপিপন্থি এক সংগঠন এ আয়োজন করে।ধারণা করা হচ্ছে, রাজনৈতিক কারণেই বিসিবির বেতনভুক্ত ম্যাচ রেফারির পদ থেকে সড়ে দাঁড়িয়েছেন দেবব্রত পাল।কয়েকদিন আগে সে পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনি। বোর্ডের উচ্চ পর্যায়ের নির্ভরযোগ্য সূত্রই এ খবর নিশ্চিত করেছে।