জফরা আর্চার, টপলি, বাটলার, মালানরা একে একে মূল মাঠের স্ট্রেচিং শেষে এসে উপস্থিত হতে থাকেন বিসিবির একাডেমি মাঠে। যেখানে আগে থেকেই এসে বসে ছিলেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় স্যাম কারান। নেটে তখন ব্যাট বল হাতে স্কিল ট্রেনিং শুরুর চেষ্টা করছিলেন কোচিং স্টাফের সদস্যরা।
ঠিক তখনই নিজের সঙ্গে করে আনা এক সাউন্ডবক্স থেকে গান বাজিয়ে দেন কারান। বিশ্ব বিখ্যার ব্যান্ড ঈগলসের হোটেল ক্যালিফোর্নিয়ার তালে তালে শুরু হয় পেসারদের গা গরমের আয়োজন। স্কোয়াডে থাকা ৬ পেসারকে নিয়ে আলাদা করে অনুশীলন পর্ব সাজায় ইংলিশরা।
যেখানে একের পর এক ব্যাটারদের সামলাতে হয় জফরা আর্চার, ক্রিস ওক্স, মার্ক উড, রিস টপলি এবং সাকিব মাহমুদকে। আর সঙ্গে তো ছিলেন স্যাম কারান। একাডেমি মাঠে নতুন বানানো সবুজ উইকেট দেখেই কি না, আনন্দে ভাসেন ইংলিশ কোচ ম্যাথু মট এবং ক্রিকেট ডিরেক্টর রব কি।
তাই তো, পেসারদের পুরো স্বাধীনতা দিয়ে অনুশীলনে নামিয়ে দেন মট। একে একে গতির ঝড় তোলেন ইংলিশ বোলাররা। নতুন সবুজ উইকেটে লাফিয়ে ওঠা বলগুলো দেখলে ভয় পাবে যে কেউই। যদিও, দারুণভাবে তা সামলে যান মঈন আলী, মালানরা।
এর মধ্যে গান বদলেছে বেশ কয়েকবার। ক্যালিফোর্নিয়া থেকে কখনো বেজেছে ইউটু’র উইথ অর উইথ আউট ইউ অথবা ডোন্ট স্টপ বিলিভিং এর সুরগুলো। আর গানের তাল যত বেড়েছে ততই যেন গতি পেয়েছে আর্চারদের ডেলিভারিগুলো। সুইং কিংবা বাউন্স নিয়েও আক্ষেপ থাকেনি পেসারদের। একাডেমির উইকেটগুলো তাদের দিয়েছে দু হাত ভরে।
তবে, এদিন স্থানীয় নেট বোলারদের মধ্যে ছিল না কোনো পেসার। একঝাঁক স্পিনার নিয়ে অনুশীলন পর্ব শেষ করেছেন তারা। কারণ, ওয়ানডে সিরিজে সবুজাভ উইকেটের দেখা যে পাওয়া দুষ্কর হবে, সেটা কি আর তারা জানেন না?