মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৩ অপরাহ্ন
Title :
গ্যাস সংকট কাটলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হজযাত্রীদের সেবা উন্নত করতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়াচ্ছে সৌদি সংসদের দুই গুরুত্বপূর্ণ কমিটির নেতৃত্বে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ চক্রান্তকারীদের ষড়যন্ত্রে বারবার ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা: রিজভী রাশিয়ায় তুষারধসে ১১ পর্বতারোহীর মৃত্যু ইতালিতে বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ জানালেন পরীমনি বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন নজরদারির আহ্বান ফলকার টুর্কের ইরান যুদ্ধে জড়ালে বড়ো ঝুঁকিতে পড়তে পারে দক্ষিণ কোরিয়া মার্কিন জাহাজ লক্ষ্য করে প্রথমবার ‘ডেস্ট্রয়ার-বিধ্বংসী’ ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার ইরানের দেশে সাক্ষরতার হার বেড়ে ৭৭.৯ শতাংশ: ববি হাজ্জাজ

দেশে সাক্ষরতার হার বেড়ে ৭৭.৯ শতাংশ: ববি হাজ্জাজ

  • Update Time : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭ Time View

দেশে সাত বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার বর্তমানে ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। আগামীকাল ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী দেশে সাক্ষরতার হার ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছেছে। গত কয়েক বছরে সাক্ষরতা সম্প্রসারণে এটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। তবে এখনও দেশের একটি বড় জনগোষ্ঠী মৌলিক শিক্ষা ও প্রয়োজনীয় দক্ষতার সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিশু, ঝরে পড়া কিশোর-কিশোরী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত প্রাপ্তবয়স্কদের দ্রুত সাক্ষর ও দক্ষ করে তোলা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

ববি হাজ্জাজ বলেন, বর্তমান সময়ে সাক্ষরতা শুধু নাম লেখা বা বর্ণমালা চেনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাক্ষরতাকে কর্মসংস্থান, জীবনদক্ষতা, ডিজিটাল সক্ষমতা ও পরিবেশ সচেতনতার সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।

তিনি জানান, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মাধ্যমে বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলার সদর উপজেলায় ‘কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক কর্মদক্ষতা প্রশিক্ষণ’ পরিচালিত হচ্ছে। প্রথম ধাপে নিবন্ধিত ৪ হাজার ৩১২ জন ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪ হাজার ১৯৮ জন জাতীয় যোগ্যতা কাঠামোর মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

উত্তীর্ণদের মধ্যে ৩ হাজার ৮৮২ জন, যা মোট শিক্ষার্থীর ৯২ দশমিক ৪৭ শতাংশ, স্থায়ী চাকরি, শিক্ষানবিশ হিসেবে শোভন কাজ কিংবা নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে কাজের সুযোগ পেয়েছেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত মানুষকে স্বাবলম্বী করতে এবং দেশকে নিরক্ষরতামুক্ত করার লক্ষ্যে ‘প্রতি একজন, একজনকে শেখাবে’ মডেলের আলোকে ‘আলফা’ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে চতুর্থ শ্রেণিতে চালু হতে যাওয়া নতুন বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক শিক্ষার একটি প্রাথমিক পাঠ্যবই চতুর্থ শ্রেণিতে দেওয়া হচ্ছে। ২০২৮ সালে বর্তমান শিক্ষার্থীরা পঞ্চম শ্রেণিতে উঠলে পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যক্রম কার্যকর হবে। আপাতত সহকারী শিক্ষকদের তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিশেষজ্ঞদের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যুক্ত করা হবে।

প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রায় ৩৫ হাজার ৪০০ প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য অথবা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। এসব পদে দ্রুত নিয়োগ ও পদায়ন নিশ্চিত করতে সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, গণমাধ্যম, বেসরকারি সংস্থা ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত অংশগ্রহণে সাক্ষর, প্রযুক্তিসচেতন এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম বাংলাদেশ গড়তে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category