শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ‘শান্তি সমাবেশে’ এসব কথা বলেন তিনি।
শান্তি সমাবেশে কামরুল আরও বলেন, ‘বিদেশিদের কাছে ধরনা দিয়ে লাভ হবে না। এর আগেও আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে নির্বাচন বন্ধ করতে পারেননি, এবারও পারবেন না। আর কখনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের ভোট চুরি করতে দেয়া হবে না।’
কোনোভাবেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এ দেশে ফিরে আসবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিস্টদের মতো নির্বাচন বাধাগ্রস্তের চেষ্টা না করে নির্বাচনে আসুন। নির্বাচনে না এলে তৃণমূলের কর্মীরাই বিএনপির নেতাদের ধাওয়া দেবে, আর তখন ধাওয়া খেয়েও পালিয়ে বাঁচবেন না।’
কামরুল বলেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নেই, বাংলাদেশে ওই রকম তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আর প্রতিষ্ঠিত হবে না, হবে না, হবে না। কোনো অবস্থাতেই আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় ফিরে যেতে পারি না।’
আওয়ামী লীগের সিনিয়র এ নেতা বলেন, ‘দেশকে সবক্ষেত্রে এগিয়ে নিচ্ছে শেখ হাসিনার সরকার। বাংলাদেশে করোনার টিকা বিনামূল্যে দিয়েছে সরকার। বিশ্ব অর্থনীতি খারাপ অবস্থায় আছে। অর্থনৈতিক খারাপ অবস্থা থেকে শেখ হাসিনার সরকারই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।’
এসময় বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির পথ একমাত্র আদালতের মাধ্যমেই সম্ভব বলে জানান কামরুল।
‘শান্তি সমাবেশে’ দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘যে বাংলাদেশ এক সময় ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল, সেই দেশ উন্নয়ন আর অগ্রগতির দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আওয়ামী লীগের শাসনামলে।’
তিনি অভিযোগ করেন, ‘কিছু রাজনৈতিক দল উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে রাস্তায় নেমে অস্থিতিশীলতা তৈরি করছে। শুধু এখনই নয়, সব সময় তারা দেশের মানুষের বিরুদ্ধে কাজ করে গেলে। ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড ছাড়া তারা আর কিছু করতে জানে না।’
হানিফ বলেন, ‘ভারতের উলফা নেতা অনুপ চেটিয়া আবারও বলেছেন, ২০০৪ সালে বিএনপির শাসনামলেও ১০ ট্রাক অস্ত্র আনা হয়েছিল। তারা দেশকে সন্ত্রাসের স্বর্গরাজ্য বানিয়েছিল।’
বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আন্দোলন আন্দোলন খেলা বন্ধ করুন। এটা করে আপনারা এ সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামাতে পারবেন না। বরং সরকারের উন্নয়নকে সহযোগিতা করে মানুষের আস্থা অর্জন করুন।’