সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন

রোজায় পণ্য কেনাবেচায় সহনশীল হওয়ার পরামর্শ ভোক্তা অধিকারের

  • Update Time : সোমবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ২৮৪ Time View

আসন্ন রমজান মাসে ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের পণ্য বেচাকেনায় সহনশীল থাকার পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।সোমবার (৩০ জানুয়ারি) কারওয়ানবাজারে ভোক্তা অধিদফতর আয়োজিত ফল আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে এক মত বিনিময় সভায় এ পরামর্শ দেন এ এইচ এম সফিজুজ্জামান।

তিনি বলেন, ডলার ও তেলের দামের প্রভাব সব খাতেই পড়েছে। যার কারণে ফলের দামও বাড়বে। তবে দাম অতিরিক্ত বাড়ানো যাবে না।

দাম অত্যধিক বাড়ার বিষয়ে শুধু সরকারের মনিটরিং নয়, ব্যবসায়ীদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে বেশি দামে ভোগ্যপণ্য কেনার বিষয়ে ভোক্তাদেরও সচেতন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।বিদেশি ফল আমদানিতে শুল্ক বৃদ্ধি, ফল সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ ও দেশে ফলের উৎপাদন বাড়াতে জোর দেয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন নির্দেশনাও দিয়েছে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতর।

মতবিনিময় সভায় ফল আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা বলেন, বন্দরে আসা কনটেইনার দ্রুত খালাস না হলে ফলের বাজার অস্থির হয়ে যাবে।খেজুরের বাজারে বিষয়ে তারা বলেন, বিগত বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রমজানে শুধু খেজুরই প্রয়োজন হয় ৪০ হাজার মেট্রিক টন। চাহিদা পূরণে ডলারসহ নানা সংকটের মধ্যেও এলসিতে (ঋণপত্র) জটিলতা কমেছে। তবে আগেভাগে আমদানি ঋণপত্র খুলতে না পারায় সময়মতো বাজারে খেজুরসহ অন্যান্য ফল সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা বিরাজ করছে।

এদিকে মেয়াদোত্তীর্ণ খেজুর কোথাও থাকলে তা ভোক্তা অধিদফতরকে জানানোর তাগিদ দিয়েছেন ভোক্তা অধিদফতর পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার।

সভায় রমজানে পণ্য দামে কম রাখার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই) পরিচালক মো. হারুনর রশিদ। তিনি বলেন, সংগঠনের পক্ষ থেকে এলসিসহ সব জটিলতা নিরসনে আগেই নির্দেশনা দেয়া আছে। সাপ্লাই চেন ঠিক থাকলে সমস্যা হবে না। তবে রোজার আগে দাম বেড়ে যাওয়া কোনোভাবেই ঠিক না।এদিকে আমদানি পণ্যসহ দেশীয় পণ্যের দামও এখন থেকেই মনিটরিংয়ের পরামর্শ দিয়েছেন ভোক্তা কণ্ঠের সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান।

তিনি বলেন, দেশে যে পরিমাণ ফল বন্দরে খালাসের অপেক্ষায়, তা দ্রুত খালাস করতে হবে। অন্যথায় দাম অনিয়ন্ত্রিত হবে। ফলসহ অন্যান্য ফলের বাজারও মনিটরিং করতে হবে। এছাড়া ভ্যানে ফল বিক্রিতে যে চাঁদা নেয়া হয়, তা বন্ধ করতে পারলে ভোক্তারা কম দামে ফল কিনতে পারবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category