সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন

৩ বছরেও শেষ হয়নি সড়ক সম্প্রসারণের কাজ, ভোগান্তি

  • Update Time : শনিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৮৬ Time View

দীর্ঘ তিন বছরেও শেষ হয়নি রাঙামাটির আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়ক সম্প্রসারণের কাজ। কাজের ধীর গতির কারণে রাস্তা দিয়ে চলাচলে বিপাকে পড়ছেন পর্যটক ও স্থানীয় রিসোর্ট ব্যবসায়ীরা। সড়ক সম্প্রসারণের কাজ দ্রুত শেষ হবে বলে জানায় এলজিইডি।

বিশাল সবুজ পাহাড়ের মাঝ দিয়ে বয়ে চলেছে রাঙামাটি সদরের আসামবস্তি-কাপ্তাই আঁকাবাঁকা সড়ক। নয়নাভিরাম এ দৃশ্য দেখে প্রাণ জুড়বে যে কারোরই। সৌন্দর্যের কারণে স্থানীয়রা এই সড়কের নাম দিয়েছে ‘মুগ্ধতার সড়ক’। আবার একপাশে বিস্তৃত শান্ত নীল হ্রদের জল। হ্রদ, পাহাড় ও মেঘের লুকোচুরির দৃশ্য উপভোগ করতে প্রতিবছরই ভিড় করেন পর্যটকরা।


এদিকে যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় ২০২০ সালে আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কটি সম্প্রসারণের কাজ শুরু করে এলজিইডি। কিন্তু তিন বছরেও শেষ না হওয়ায় যানবাহন চলাচলে প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের। তাই দ্রুত সড়কটি সম্প্রসারণের কাজ শেষ করার দাবি সংশ্লিষ্টদের।

পর্যটক ও রিসোর্ট ব্যবসায়ীরা বলছে, পর্যটকদের পছন্দের তালিকা উপরের দিকে রয়েছে রাঙামাটি। এখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত না হলে পর্যটন শিল্পের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই আমাদের চাওয়া দ্রুত সময়ের মধ্যে এ সড়ক সম্প্রসারণের কাজ শেষ করে পর্যটন খাতকে আরও সমৃদ্ধ করা হোক।

তবে দ্রুত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করার আশ্বাস দিয়ে এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ শফি বলেন, ‘ফান্ড ও ঠিকাদারের কিছু জটিলতা ছিল। এখন সে জটিলতা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। আশাকরছি দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারব।’

রাঙ্গামাটির মডেল এই সড়কটি সম্প্রসারিত হলে পর্যটন শিল্পের আরও বিকাশ ঘটবে বলে আশা স্থানীয় সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদারের।

তিনি বলেন, ‘এখান পর্যটন শিল্প থেকে শুরু করে অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও বেশি গতিশীল হবে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে।’
১৯ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কের দুই পাশের রিসোর্টগুলোতে পর্যটন মৌসুমে নিয়মিত ১৮ থেকে ২০ হাজার ভ্রমণপিপাসু যাতায়াত করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category