সম্প্রতি উভয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই ভারতীয় কর্তৃপক্ষের এ চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট জানিয়েছে, বোয়িং থেকে এয়ারক্রাফট কিনতে এয়ার ইন্ডিয়ার যুগান্তকারী চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, এয়ার ইন্ডিয়া ও বোয়িংয়ের মধ্যে চুক্তির মাধ্যমে ২০০টিরও বেশি আমেরিকান এয়ারক্রাফট ক্রয় মার্কিন-ভারত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের শক্তি প্রতিফলিত করে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আরও গভীর অংশীদারিত্ব আরও বাড়ানোর কথা জানিয়ে তিনি বাইডেন বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উৎপাদনে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে। এয়ার ইন্ডিয়া ও বোয়িংয়ের মধ্যে ঐতিহাসিক চুক্তির মাধ্যমে ভারতের ২০০টিরও বেশি এয়াক্রাফট কেনার ঘোষণা দিতে পেরে আমি গর্বিত। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪টি অঙ্গরাজ্যে জুড়ে ১০ লাখ কর্মসংস্থানের সহায়ক হবে এবং এর জন্য অনেকের চার বছরের ডিগ্রিরও প্রয়োজন হবে না।
বোয়িংয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এয়ার ইন্ডিয়া টেকসই বৃদ্ধির জন্য তাদের ২৯০টি জেট বিমান বেছে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৯০টি ৭৩৭ ম্যাক্স, ২০টি ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এবং ১০টি ৭৭৭এক্স বিমান। চুক্তিতে অতিরিক্ত ৫০টি ৭৩৭ ম্যাক্স এবং ২০টি ৭৮৭-৯এস বিমান কেনারও পরিকল্পনা রয়েছে। চুক্তির সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এটিই হবে দক্ষিণ এশিয়ায় বোয়িংয়ের সব থেকে বড় চালান।
হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, চুক্তির মাধ্যমে ‘ইন্ডিয়া-ইউএসএ কমপ্রেহেনসিভ গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’ গভীর করায় ওই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। ভারতে বেসামরিক বিমান চলাচল সেক্টরের সম্প্রসারণের ফলে সৃষ্ট সুযোগ কাজে লাগাতে বোয়িং ও অন্যান্য মার্কিন কোম্পানিগুলোকে আমন্ত্রণ জানান মোদি।
অন্যদিকে, এয়ারবাস থেকে এয়ারক্রাফট কিনতে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে টাটা সনসের চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ওই চুক্তিকে ভারত-ফ্রান্সের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বের নতুন ধাপ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন তিনি।
ম্যাক্রোঁ এক টুইটে লিখেছেন, এয়ারবাস ও টাটা সন্স যে চুক্তি সই করেছে তা ভারত ও ফ্রান্সের কৌশলগত অংশীদারিত্বের একটি নতুন পর্যায়। ধন্যবাদ নরেন্দ্র মোদি, ফ্রান্স ও আমাদের শিল্পের প্রতি আপনার আস্থার জন্য।