মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৩:৪৬ অপরাহ্ন
Title :
কুমিল্লায় চুরি করতে গিয়ে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর সরিষাবাড়ীতে গলায় লিচু আটকে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু সীমান্ত হত্যাকাণ্ড বসে বসে দেখবে না সরকার: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা পাঞ্জাবের স্কুলগুলোতে ৩ মাসের গ্রীষ্মকালীন ছুটি ঘোষণা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে ঝড় তুলবেন ব্ল্যাকপিঙ্ক তারকা লিসা ৫ জন নয়, গাজীপুরে গলা কেটে হত্যা করা হয় ৪ জনকে: ফরেনসিকে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য মমতা সরকারের সামাজিক প্রকল্প চালু রাখবেন শুভেন্দু: মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক বিদেশী বিনিয়োগ আনা শুধু বিডার দায়িত্ব নয়: আশিক চৌধুরী নিরাপদ ও মানবিক দেশ গড়তে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু

৩০ বছর পর পুয়ের্তোরিকোয় সন্ধান মিলল মার্কিন নারীর

  • Update Time : সোমবার, ৬ মার্চ, ২০২৩
  • ২৮৩ Time View

প্রায় ৩০ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া থেকে হারিয়ে গিয়েছিলেন প্যাট্রিসিয়া কোপটা। তাকে আঁতিপাঁতি করে খুঁজে না পেয়ে কর্তৃপক্ষ মৃতও ঘোষণা করেছিল। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে প্যাট্রিসিয়ার সন্ধান মিলেছে পুয়ের্তোরিকোয়। মার্কিন সম্প্রচার মাধ্যম সিএনএন নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্যাট্রিসিয়া কোপটার বর্তমান বয়স ৮৩ বছর। এর আগে ১৯৯২ সালে কোপটাকে সবশেষ দেখা গিয়েছিল পেনসিলভানিয়া স্টেটের পিটার্সবার্গে।

প্যাট্রিসিয়ার স্বামী বব কোপটা জানিয়েছেন, ওই বছরের শরৎকালে তার স্ত্রী গায়েব হয়ে যান। প্রথম দিকে তিনি ততটা মাথা ঘামাননি। কারণ, প্যাট্রিসিয়া প্রায়ই দিন কয়েকের জন্য উধাও হয়ে যেতেন। ফলে দীর্ঘ কয়েক মাসেও যখন প্যাট্রিসিয়া ফিরে আসেননি, তখন বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান তিনি।

তার পরিবার নিশ্চিত করেছে, প্যাট্রিসিয়া ‘ডিমেনশিয়া’য় ভুগছিলেন। পিটার্সবার্গে প্যাট্রিসিয়া খুবই সুপরিচিত ছিলেন। তিনি রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে অপরিচিতদের কাছে যেতেন এবং তাদের বলতেন যে, তিনি ভার্জিন মেরির দর্শন পেয়েছেন এবং পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। প্যাট্রিসিয়া একাধিকবার তার পরিবারকে বলেছিলেন, তিনি চলে যাচ্ছেন।

পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, তারা প্যাট্রিসিয়া সম্পর্কে প্রথম জানতে পারেন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশনের (ইন্টারপোল) এক এজেন্টের কাছ থেকে। সেই এজেন্ট একজন সমাজকর্মীও। তিনি গত বছর পেনসিলভানিয়া পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং বলেন, তারা প্যাট্রিসিয়াকে একটি বৃদ্ধাশ্রমে দেখেছেন।

রস টাউনশিপের ডেপুটি ব্রায়ান কোহলহেপ বলেছেন, প্যাট্রিসিয়া কীভাবে পুয়ের্তোরিকোয় গেছেন বা তার ব্যক্তিগত জীবন কেমন, তা নিয়ে কখনোই বৃদ্ধাশ্রমের লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করেননি। কোহলহেপ সিএনএনকে বলেন, তবে প্যাট্রিসিয়ার পুয়ের্তোরিকোতে কোনো পরিবারিক সংযোগ বা আত্মীয়তা নেই।

পুলিশ প্যাট্রিসিয়াকে পুয়ের্তোরিকোর বৃদ্ধাশ্রম থেকে উদ্ধার করে তার বোন এবং ছেলের সঙ্গে ডিএনএ মিলিয়ে দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হয়। প্যাট্রিসিয়ার বোন গ্লোরিয়া স্মিথ বলেন, ‘আমরা সত্যিই ভেবেছিলাম যে, সে মারা গেছে। আমরা এটা আশা করিনি। এটি আমাদের জন্য বড় একটি ধাক্কা ছিল। আপনারা জানেন, আমরা খুবই খুশি এবং আমি আশা করি আমি তাকে শিগগিরই দেখতে পাব।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category