ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ৩১ রাউন্ড শেষে চেলসির অবস্থান টেবিলের ১১ নম্বরে। আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলা হচ্ছে না ব্লুজদের এটা নিশ্চিত। কারণ গত মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে চেলসি। আর চলতি মৌসুমে কোনো শিরোপাই জেতা হচ্ছে না তাদের।
বারবার কোচ পরিবর্তন করে এবং নতুন মালিক ও চেয়ারম্যান টড বোয়েলির কাড়িকাড়ি অর্থ খরচের পরও মিলছে না সাফল্য। তাদের এমন হতশ্রী অবস্থা দেখে কানাল প্লাসে দ্রগবা বলেন, অনেক বদলে গেছে তার সাবেক ক্লাব ।
দ্রগবা বলেন, ‘এটা আর আগের সেই ক্লাব নেই। আমি আমার ক্লাবকে চিনতে পারছি না। নতুন মালিক ও নতুন দর্শন এই ক্লাবের।’
মার্সেই ছেড়ে ২০০৪ সালে চেলসিতে যোগ দেন দ্রগবা। ২০১২ সাল পর্যন্ত ইংলিশ ক্লাবটিতে খেলে ১২টি মেজর ট্রফি জেতেন তিনি। দ্রগবা ক্লাব ছাড়ার পরও ভালো অবস্থায়ই ছিল ক্লাবটি। নিয়মিতই শিরোপা জিততে থাকে তারা।
কিন্তু গত বছর বোয়েলি চেলসি কিনে নেয়ার পর একের পর এক খেলোয়াড় কিনতে থাকেন। তবে আশানুরূপ ফল এখনও মেলেনি। শুধু তাই নয়, কোচ টমাস টুখেলের পর গ্রাহাম পটারকে চাকরিচ্যুত করেছে তারা। তবুও চলতি মৌসুমে সাফল্যের মুখ দেখছে না ক্লাবটি। এমন অবস্থা দেখে বিরক্ত দ্রগবা।
কানাল প্লাসে দ্রগবা বলেন, ‘৩০ জন খেলোয়াড়ের একটি ড্রেসিংরুম সামলানো কোচের জন্য কঠিন, সে যেই হোক না কেন। আব্রামোভিচ যুগে যা করা হয়েছিল তার সঙ্গে তুলনা করার চেষ্টা করি, সেখানেও খেলোয়াড়দের আধিক্য ছিল, তবে পছন্দগুলো ছিল খুবই বুদ্ধিদীপ্ত।’
২০০৩ সালে চেলসি ক্লাবটি কিনে নিয়েছিলেন রোমান আব্রামোচিভ। তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথিত সম্পর্কের কারণে যুক্তরাজ্য সরকার গত বছর আব্রামোভিচের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। তারই ফলশ্রুতিতে চেলসি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন এই রুশ ধনকুবের।