মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
Title :
গাংনীতে ৯৬টি ল্যান্ডমাইন উদ্ধার, সেনাবাহিনীর সফল অভিযানে ধ্বংস চাঁদপুরে এসএসসিতে দুই বিষয়ে অকৃতকার্য, শিক্ষার্থীর মৃত্যু ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান হলেন মোহসেন রেজাই বাংলাদেশের মতো দেশে শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: রিজভী নিরাপত্তা ভুয়া দালালের কাছ থেকে কেনা যায় না: ইরান ১৮ বছরের আন্দোলনে গুম-খুন-নির্যাতিতরা পাবেন ভাতা: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী জেনজিদের আন্দোলনে ফের উত্তাল ভারত, পুলিশের লাঠিচার্জ ভঙ্গুর রাষ্ট্র পুনর্গঠনই এখন সরকারের প্রধান কাজ: প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ায় নতুন ৫০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া: জেলেনস্কি সৌদি আরবে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

ভারতে এবার সিলেবাস থেকে বাদ উর্দু কবি ইকবাল

  • Update Time : রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩
  • ১০৬ Time View

ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পর্যায়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান পাঠ্যক্রম থেকে উর্দু কবি মুহাম্মদ ইকবালের জীবনী বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্যদের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ‘মডার্ন ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল থট’ শিরোনামের অধ্যায়টি ব্যাচেলর অব আর্টসের (বিএ) ষষ্ঠ সেমিস্টারের পাঠ্যসূচি থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।’

 বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল অধ্যায়টি বাদ দেয়ার জন্য সুপারিশ করে পরিচালন পর্ষদের কাছে পাঠিয়েছে। আগামী ৯ জুন পরিচালন পর্ষদের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা রয়েছে।
 
কবি ইকবালের জীবনী সংক্রান্ত অধ্যায়টি বাদ দেয়া প্রসঙ্গে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, যারা ভারত ভাঙার ভিত্তি তৈরি করেছে তাদের সিলেবাসে থাকা উচিত নয়।

এদিকে, ভারত ভাগের পেছনে কবি ইকবালকে দায়ী করেছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ-এবিভিপি। এক বিবৃতিতে এবিভিপি, আল্লামা মোহাম্মদ ইকবালকে পাকিস্তানের ‘আধ্যাত্মিক জনক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
 
এতে বলা হয়, মুসলিম লীগের নেতা হিসেবে মুহাম্মদ জিন্নাহকে আত্মপ্রকাশে সহায়তা করেছেন কবি ইকবাল। ভারত ভাগের পেছনে জিন্নাহর মতোই তিনিও দায়ী।
 
আল্লামা ইকবাল একাধারে কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও মনীষী। তিনি ১৮৭৭ সালে অবিভক্ত ভারতের শিয়ালকোট, বর্তমান পাকিস্তানে জন্ম মুহাম্মদ ইকবালের। বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান ‘সারে জাহাঁ সে আচ্ছা’র স্রষ্টা তিনি। ইকবালের মৃত্যু ১৯৩৮ সালে। পাকিস্তানের জাতীয় কবি তিনি।
 

প্রথম জীবনে কাব্য রচনার ভাষা হিসেবে উর্দুকে বেছে নিলেও পরে ফার্সি হয়ে উঠেছিল তার লেখনীর মাধ্যম। পণ্ডিত রবিশঙ্কর ভারতীয় সেনাদের জন্য তৈরি করেছিলেন ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’র কুচকাওয়াজ-সংস্করণের সুর।
 
এর আগে, এ বছরের শিক্ষাবর্ষ থেকে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাসের পাঠ্যক্রম থেকে মোগল যুগ বাদ দেয়া হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category