শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন
Title :
যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ৫ দিনের আলটিমেটাম রাতে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আবারও ৪ দিনের রিমান্ডে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু মধ্যপ্রাচ্য সংকট কাটলে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দিনের সূচিতে ১০ কর্মসূচি: মাহদী আমিন জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী মক্কা হামলার অভিযোগ ঘিরে হুতিদের ‘সন্ত্রাসী’ বললেন সৌদি বাদশাহ জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের তুরস্ক-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যয়: তারেক রহমানের সঙ্গে এরদোয়ানের বৈঠক

ভারতে এবার সিলেবাস থেকে বাদ উর্দু কবি ইকবাল

  • Update Time : রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩
  • ১১৬ Time View

ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পর্যায়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান পাঠ্যক্রম থেকে উর্দু কবি মুহাম্মদ ইকবালের জীবনী বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্যদের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ‘মডার্ন ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল থট’ শিরোনামের অধ্যায়টি ব্যাচেলর অব আর্টসের (বিএ) ষষ্ঠ সেমিস্টারের পাঠ্যসূচি থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।’

 বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল অধ্যায়টি বাদ দেয়ার জন্য সুপারিশ করে পরিচালন পর্ষদের কাছে পাঠিয়েছে। আগামী ৯ জুন পরিচালন পর্ষদের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা রয়েছে।
 
কবি ইকবালের জীবনী সংক্রান্ত অধ্যায়টি বাদ দেয়া প্রসঙ্গে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, যারা ভারত ভাঙার ভিত্তি তৈরি করেছে তাদের সিলেবাসে থাকা উচিত নয়।

এদিকে, ভারত ভাগের পেছনে কবি ইকবালকে দায়ী করেছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ-এবিভিপি। এক বিবৃতিতে এবিভিপি, আল্লামা মোহাম্মদ ইকবালকে পাকিস্তানের ‘আধ্যাত্মিক জনক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
 
এতে বলা হয়, মুসলিম লীগের নেতা হিসেবে মুহাম্মদ জিন্নাহকে আত্মপ্রকাশে সহায়তা করেছেন কবি ইকবাল। ভারত ভাগের পেছনে জিন্নাহর মতোই তিনিও দায়ী।
 
আল্লামা ইকবাল একাধারে কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও মনীষী। তিনি ১৮৭৭ সালে অবিভক্ত ভারতের শিয়ালকোট, বর্তমান পাকিস্তানে জন্ম মুহাম্মদ ইকবালের। বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান ‘সারে জাহাঁ সে আচ্ছা’র স্রষ্টা তিনি। ইকবালের মৃত্যু ১৯৩৮ সালে। পাকিস্তানের জাতীয় কবি তিনি।
 

প্রথম জীবনে কাব্য রচনার ভাষা হিসেবে উর্দুকে বেছে নিলেও পরে ফার্সি হয়ে উঠেছিল তার লেখনীর মাধ্যম। পণ্ডিত রবিশঙ্কর ভারতীয় সেনাদের জন্য তৈরি করেছিলেন ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’র কুচকাওয়াজ-সংস্করণের সুর।
 
এর আগে, এ বছরের শিক্ষাবর্ষ থেকে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাসের পাঠ্যক্রম থেকে মোগল যুগ বাদ দেয়া হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category