বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন
Title :
বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ডা. জাহেদের ঘটনায় দিল্লির ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় ঢাকা: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৬৪৫ কোটি টাকায় ৪ কোটি লিটার তেল কিনবে সরকার লেবানন থেকে সেনা সরাবে না ইসরায়েল: প্রতিরক্ষামন্ত্রী করের আওতায় আসছে মুদি দোকান, বিউটি পার্লারসহ ১৬ খাত সমঝোতা স্মারক যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের ঘোষণা: গালিবাফ খামেনির শেষ বিদায়ে নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ইরান জুনের ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২২৪ কোটি ডলার শেখ হাসিনার পতনের পর প্রথমবার ভারত থেকে আসছে ট্রেনের বগি তিনি জুলাই শহীদের মা, এটি খেয়াল রেখে বক্তব্য রাখবেন: আইনমন্ত্রীকে স্পিকার

বাজারে মোটা চালের ‘কৃত্রিম’ সংকট, অসহায় নিম্নবিত্ত মানুষ

  • Update Time : বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৬৩ Time View

অধিকাংশ দোকানে টাকা দিয়েও মিলছে না মোটা চাল। হু হু করে বাড়ছে দাম। মহল্লার দোকানে মোটা একেবারেই অপ্রতুল। চালের আড়ত কিংবা বড় বাজারেও সাত দোকান ঘুরে মিলছে এক দোকানে। এতে চরম বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ। বাধ্য হয়ে তারা বেশি দামে মাঝারি মানের চাল কিনছেন পেটের তাগিদে। আড়তদাররা বলছেন, মিলাররা মোটা চাল সরবরাহ করছেন না। যাদের কাছে মিলছে দাম হাঁকছেন বেশি। আর অটো রাইস মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আঙুল মজুতদারদের দিকে। এ সংকট কৃত্রিম হতে পারে বলে ধারণা তাদের ।

মহাখালীর সাততলা বস্তির একটি টিনশেড ঘরে চার সদস্যের পরিবার নিয়ে থাকেন আনোয়ার হোসেন। পেশায় রিকশাচালক। বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) সকালে আমতলী বাজারে চাল কিনতে যান আনোয়ার। চার-পাঁচটি দোকান ঘুরে কোথাও মোটা চাল পাচ্ছিলেন না। পরে একটি দোকানে মোটা চাল পান। ৫৬ টাকা দরে কেনেন পাঁচ কেজি।

আলাপকালে আনোয়ার হোসেন বলেন, আগে যে কোনো মুদি দোকানে মোটা চাল পাওয়া যেত। কিন্তু কয়েক মাস ধরে মুদি দোকানে মোটা চাল পাওয়া যাচ্ছে না। এখন বাজারে গিয়েও চালের বড় দোকান বা আড়তে মোটা চাল মেলে না, যা পাওয়া যায়, দাম বেশি রাখে। আবার বেশি দামের কারণে মাঝারি বা সরু চালে তো হাতই দেওয়া যায় না। এমন পরিস্থিতিতে নিম্নআয়ের মানুষকে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।আমতলী বাজারে বড় সাতটি মুদি দোকানে চাল বিক্রি হয়। এর মধ্যে পাঁচটি দোকানেই মোটা চাল (স্বর্ণা, চায়না, ইরি) দেখা যায়নি। দোকানিদের দাবি, বাজারে মোটা চালের সরবরাহ কম। তাই সংকট তৈরি হয়েছে। এতে অনেক দোকানি বাধ্য হয়ে কেজিতে দু-এক টাকা বাড়িয়ে চাল বিক্রি করছেন। নিরুপায় হয়ে নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষ চাল কিনছে। তবে মাঝারি ও সরু চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।মিলারদের কারসাজিতে বাজারে মোটা চালের সংকট দেখা দিয়েছে বলে মনে করেন আমতলী বাজারের মতিউর রাইস এজেন্সির মালিক মতিউর রহমান। তিনি বলেন, বিভিন্ন অজুহাতে বাজারে চালের সংকট তৈরি করেন মিলাররা। এখন মাঝারি ও সরু চাল বাজারে পাওয়া গেলেও মোটা চালের সংকট রয়েছে। রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা বাজারে মোটা চাল নেই বললেই চলে। কিছু দোকানে মিললেও প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৫৬ টাকায়। অথচ কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ৩ নভেম্বর ঢাকার বাজারদরে মোটা চাল পাইকারি ৪৩-৪৪ টাকা এবং খুচরায় ৪৭ থেকে ৫০ টাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category