দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে দুর্ঘটনা ঘটেছে সবচেয়ে বেশি (৩০.৬৯ শতাংশ)। দুর্ঘটনায় প্রাণহানির দিক থেকে এগিয়েও ঢাকা (৩০.৫৫ শতাংশ)। ঢাকায় ৯৩টি দুর্ঘটনায় ৯৯ জন নিহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে সিলেট বিভাগে (৩.৯৬ শতাংশ)। এতে প্রাণহানি ৪.৯৩ শতাংশ। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬.৮৩ শতাংশ, রংপুর বিভাগে ১৩.২০ শতাংশ ও রাজশাহী বিভাগে ১২.২১ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
সংগঠনটি জানায়, এবারের ঈদুল আজহায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ২১ দশমিক ৬ জন নিহত হয়েছেন। যা গতবার ছিল ২৫ দশমিক ৯১ জন। এবারের ঈদযাত্রায় মহাসড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বেশি থাকায় প্রাণহানি কম হয়েছে বলে জানায় সংগঠনটি।
ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি ও মানসিকতা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল, ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সক্ষমতার ঘাটতি এবং গণপরিবহনে চাঁদাবাজিকে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে রোড সেফটি।
এছাড়াও সড়কে দুর্ঘটনা কমাতে কিছু সুপারিশও করেছে ফাউন্ডেশনটি। সুপারিশগুলোর মধ্যে: দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি, চালকের বেতন ও কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা, বিআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি, ট্রাফিক আইনের বাধাহীন প্রয়োগ, গণপরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ, স্বল্পগতির যানের জন্য সার্ভিস রোড (পার্শ্বরাস্তা), উন্নত গণপরিবহন এবং সড়ক পরিবাহন আইন বাস্তবায়ন উল্লেখযোগ্য।