সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন
Title :
শিগগিরই জ্বালানি সংকট কেটে যাবে: জ্বালানিমন্ত্রী গাজাসহ ফিলিস্তিনে ১ কোটি মানুষের খাবারের ব্যবস্থা আরব আমিরাতের হাম উপসর্গে একদিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু রাড্ডায় ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালমানের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুরের কারণ জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্যাসিবাদের দোসরদের গ্রেপ্তার করলে পুলিশকে পুরস্কৃত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিউইয়র্কে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক কঙ্গোতে বিমান বিধ্বস্ত, দুই জেনারেলসহ নিহত ১৪ হামের সংক্রমণ ঠেকাতে আজ থেকে বিশেষ টিকাদান, টিকা পাবে ৩৪ লাখ শিশু চুক্তির শর্ত মানলে সাতদিনেই হরমুজ খুলবে: ইরান

শহীদ ওসমান হাদির রক্ত বৃথা যেতে দেব না: তারেক রহমান

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২১৭ Time View

রাজধানীর পূর্বাচলে আয়োজিত বিশাল গণসংবর্ধনায় শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির ত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেলে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, “কয়েকদিন আগে ওসমান শহীদ হয়েছেন। তিনি চেয়েছিলেন এদেশের মানুষ তাদের অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। একাত্তর ও চব্বিশের শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে আমাদের একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।”

তারেক রহমান তার বক্তব্যে একাত্তরের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে একই সূত্রে গেঁথে বলেন, “একাত্তরে দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালেও সর্বস্তরের মানুষ মিলে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে। আজ এ দেশের মানুষ তাদের কথা বলা ও গণতন্ত্রের অধিকার ফিরে পেতে চায়।”

আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বৈষম্যহীন ও নিরাপদ দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে পাহাড়-সমতল, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান—সবাই নিরাপদ থাকবে। একজন নারী বা শিশু ঘর থেকে বের হলে যেন নিরাপদে ফিরতে পারে, সেই নিশ্চয়তা দিতে হবে।” এসময় তিনি তরুণ প্রজন্মকেই আগামীর দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিখ্যাত নেতা মার্টিন লুথার কিংয়ের উক্তি টেনে তারেক রহমান ঘোষণা করেন, “মার্টিন লুথারের যেমন একটি স্বপ্ন ছিল, আমারও একটি পরিকল্পনা (আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান) আছে।” তিনি জানান, দেশকে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে তাঁর কাছে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ রয়েছে, যা বাস্তবায়নে প্রতিটি নাগরিকের সহযোগিতা প্রয়োজন। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি তিনবার উচ্চারণ করেন—“আমরা দেশের শান্তি চাই।”

দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর এই ‘শান্তির বার্তা’ এবং ‘ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা’র ঘোষণা নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category