মোঃ মামুনুর রশিদ বিয়ানীবার প্রতিনিধী:
কিশোর কন্ঠ মেধাভিত্তি বৃত্তি পরীক্ষা বিয়ানীবাজার উপজেলায় ৪ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে । এ পরীক্ষায় সিলেট জেলা পূর্বের ১৭ টি কেন্দ্রে প্রায় ১০ হাজার ৪২৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। বিয়ানীবাজার উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপজেলার ২০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণির ৩০০০ হাজার জন শিক্ষার্থী অংশ নেন।শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ ও তাদের পড়াশোনাকে উৎসাহিত করার জন্য সিলেট জেলা কিশোর কন্ঠের পূর্বের পৃষ্ঠপোষকতায়!এবং পরিচালনায় বিগত প্রায় তিন বছর থেকে এই মেধা বৃত্তির আয়োজন করা হচ্ছে।
শনিবার (৩০অক্টোবর ) পঞ্চ খন্ড গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে, বিয়ানবাজার সরকারি কলেজ, বিয়ানীবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, এবং কাকরদি উচ্চ বিদ্যালয়
সকাল ১০.০০টা থেকে ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ১০০ মার্কসের এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষা উপলক্ষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ব্যানার-ফেস্টুনে সাজানো হয় বিদ্যালয় এলাকা। সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয় আয়োজক কর্তৃপক্ষ।পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরমের সাবেক কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠপোষক ফরিদ আহমদ,সাবেক সিলেট জেলা পূর্বের চেয়্যারম্যান রুকন উদ্দিন, জেলা পূর্বের বর্তমান পৃষ্ঠপোষক আব্দুল্লাহ আল মারুফ,বিয়ানীবাজার উপজেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক আব্দুল মুমিন,পৃষ্ঠপোষক মাহিম আহমদ,আবু সাঈদ।
বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপির ভার প্রাপ্তসম্পাদক গিয়াস উদ্দিনন বলেন, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে বাচ্চাদের মেধার বিকাশ ঘটে পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয় তাদের মেদার বিকাশ মনের মনোবল দৃঢ় করে সে কারণে যারা এটা আয়োজন করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি আশা করি যারা কিশোর কন্ঠের মেধা ভিত্তিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন তাদের খুব সুন্দর একটা পরীক্ষা হচ্ছে তারা উত্তীর্ণ হবে এক সময়ে তারা আরো অন্যান্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে উত্তীর্ণ হবে এতে দেশ ও জাতীয় উপকৃত হবে।
জেলা পূর্বের বর্তমান পৃষ্ঠপোষক আব্দুল্লাহ আল মারুফ বলেন, কিশোরকন্ঠ পড়ব জীবনটাকে গড়ব এই প্রত্যয় কে সামনে এনে নিয়ে কিশোর কন্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ সিলেট জেলার ছয়টি উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে এজন্য সকল স্টুডেন্টদেরকে কে সিলেট জেলা পূর্বের কিশোর কন্ঠের পাঠক ফরামের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।
আয়োজকেরা জানান, এ দরণে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন